● JUST IN

QUICK10 FEED

Your Top 10 Daily Briefing • Continuously Updated

STORY 1 OF 10
INDIA

Anthropic AI কে নীতি শেখাতে ডাক পড়ল স্বামী সর্বপ্রিয়ানন্দ এর।সিলিকন ভ্যালিতে আবারও প্রাসঙ্গিক স্বামী বিবেকানন্দ আর তাঁর বেদান্ত

Anthropic AI অসাধ্য সাধন করে ফেলে নিমেষেই । শুধু তাই নয় মানুষের ভাষায় কথা বলাও সে রপ্ত করে ফেলেছে। আর সেকারনেই মানুষের সিদ্ধান্ত গ্রহনের ক্ষেত্রেও কৃত্রিম বুদ্ধ...

DI Desk
DI DeskEditorial
October 4, 2026
Anthropic AI কে নীতি শেখাতে ডাক পড়ল স্বামী সর্বপ্রিয়ানন্দ এর।সিলিকন ভ্যালিতে আবারও প্রাসঙ্গিক স্বামী বিবেকানন্দ আর তাঁর বেদান্ত

Anthropic AI কে নীতি শেখাতে ডাক পড়ল স্বামী সর্বপ্রিয়ানন্দ এর।সিলিকন ভ্যালিতে আবারও প্রাসঙ্গিক স্বামী বিবেকানন্দ আর তাঁর বেদান্ত

Anthropic AI অসাধ্য সাধন করে ফেলে নিমেষেই । শুধু তাই নয় মানুষের ভাষায় কথা বলাও সে রপ্ত করে ফেলেছে। আর সেকারনেই মানুষের সিদ্ধান্ত গ্রহনের ক্ষেত্রেও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা একটা বড় ভুমিকা নিচ্ছে তা স্পষ্ট। ঠিক সময়েই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে নৈতিকতার পথে পরিচালিত করার প্রশ্ন উঠছে। Anthropic তাই তাঁদের আলোচনায় আমন্ত্রন জানালেন রামকৃষ্ণ-বিবেকানন্দের ভাবধারায় গড়ে ওঠা এক ভারতীয় সন্ন্যাসী—স্বামী সর্বপ্রিয়ানন্দকে।

বিশ্বের প্রথম সারির AI নির্মাতা সংস্থাগুলির অন্যতম, Claude AI-এর নির্মাতা মার্কিন প্রতিষ্ঠান Anthropic। এই সংস্থাই নিউইয়র্ক বেদান্ত সোসাইটির আধ্যাত্মিক প্রধান স্বামী সর্বপ্রিয়ানন্দকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল সান ফ্রান্সিসকোয় তাদের সদর দপ্তরে। আলোচনার বিষয় ছিল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, নৈতিকতা, চেতনা এবং মানুষের কল্যাণে প্রযুক্তির দায়িত্বশীল ব্যবহার।

কেন প্রযুক্তিবিদরা আলোচনায় আনলেন ভারতের বেদান্তের দর্শন?

বিষয়টি সত্যি গুরুত্বপূর্ণ। AI এর ব্যবহার যতদিন যাচ্ছে , জীবনের সব কাজের সঙ্গেই তার নিবিড়তা বাড়ছেই। কিন্তু সমস্যা হল বিজ্ঞানের আশীর্বাদ যদি অভিশাপ হয়ে দাঁড়ায় তা হবে চরম বিপদের।

ধরা যাক, আমি আপনি চরম বিপদে AI এর ওপর নির্ভর করছি , সেখানে তথ্যের পাশাপাশি সিদ্ধান্ত নেওয়াটাও জরুরি , জরুরি পরিস্থিতির গুরুত্ব বোঝা, ক্ষতির সম্ভাবনা বিবেচনা করা এবং মানুষের নিরাপত্তা ও মর্যাদাকে অগ্রাধিকার দেওয়া। আর সেখানেই প্রযুক্তিগত দক্ষতার পাশাপাশি নৈতিক দর্শনের প্রয়োজনীয়তা সামনে আসে।

অদ্বৈত বেদান্ত চেতনা , ব্যক্তিস্বত্ত্বা, জগতের সঙ্গে মনুষ্য জীবনের সম্পর্ক, তার দার্শনিক ধারনা ব্যাখ্যা করে। ব্যাখ্যা করে নিজের অস্তিত্ব ছাপিয়ে কতটা সে নিজের ভিতর ব্রম্ম স্বরূপ চিনতে পারে।

Advertisement

Democratic Indians Premium

যদিও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার আদৌ ব্যক্তিগত অনুভূতি বা চেতনা থাকতে পারে কি না, তা এখনও অবশ্য গবেষণা ও বিতর্কের বিষয়।

১৮৯৩-এর শিকাগো থেকে ২০২৬-এর সান ফ্রান্সিসকো

স্বামীজির শিকাগো বক্তৃতা আর সদ্য সানফ্রান্সিস্কোতে রামকৃষ্ণ ভাবধারার আদর্শে জারিত স্বামী সর্বপ্রিয়ানন্দের উপস্থিতি সম্পূর্ণ পৃথক ঘটনা প্রবাহ। কিন্তু একথা অস্বীকার করা যায় কি ? পাশ্চাত্যে গিয়ে ভারতের বেদান্ত দর্শনের যে ধারা বইয়ে দিয়েছিলেন স্বামী বিবেকানন্দ সেদিন তা যে আগামীর চুড়ান্ত বৈজ্ঞানিক আলোড়নেও রাসায়নিক হয়ে উঠবে তা আজ স্পষ্ট।

একটি অর্থবহ ঐতিহাসিক যোগসূত্র রয়েছে—উনিশ শতকের শেষভাগে ভারতীয় দর্শন পশ্চিমি সমাজের সামনে মানবিক ঐক্যের প্রশ্ন তুলেছিল; একবিংশ শতকে সেই দর্শন নতুন করে আলোচনায় আসছে মানুষের তৈরি বুদ্ধিমান প্রযুক্তির নৈতিক সীমারেখা নির্ধারণের ক্ষেত্রে।

Advertisement

Democratic Indians Premium

এটাই স্বামীজির গুরুত্ব , রামকৃষ্ণ ভাবধারার একজন সন্ন্যাসীকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছে আধুনিক প্রযুক্তির অন্যতম প্রধান গবেষণা সংস্থা।

Anthropic-এর সদর দপ্তরে কি হয়েছিল সেদিন ?

২০২৬ সালের ১৩ জুন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের Unity of Dallas-এ আয়োজিত এক বক্তৃতায় স্বামী সর্বপ্রিয়ানন্দ নিজেই Anthropic-এর সঙ্গে তাঁর যোগাযোগের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছিলেন। অক্টোবরের গোড়ায় সেই বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।

স্বামী সর্বপ্রিয়ানন্দের বিবরণ অনুযায়ী, প্রথমে সংস্থার পক্ষ থেকে তাঁর সঙ্গে অনলাইনে যোগাযোগ করা হয়। প্রাথমিক কথাবার্তার পর তাঁকে সান ফ্রান্সিসকোর সদর দপ্তরে আসার আমন্ত্রণ জানানো হয়। যাতায়াত ও থাকার ব্যবস্থাও করেছিল Anthropic।

Advertisement

Democratic Indians Premium

সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন ধর্মীয় ঐতিহ্যের চিন্তাবিদ, ধর্মতত্ত্ববিদ, কাউন্সেলর এবং মানসিক স্বাস্থ্যসংক্রান্ত বিশেষজ্ঞরা। আলোচনার অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল উন্নত AI ব্যবস্থা, বিশেষত Claude-এর আচরণ ও নৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে বিভিন্ন মানবিক ও দার্শনিক দৃষ্টিভঙ্গি বোঝা।

তবে বৈঠকটি হয়েছিল গোপনীয়তা রক্ষার চুক্তি বা Non-Disclosure Agreement-এর আওতায়। ফলে আলোচনার সব বিষয় প্রকাশিতও হয় নি।

শেষ কথা: যন্ত্র যত বুদ্ধিমান হবে, মানুষ কি তত মানবিক হবে?

একটি গভীর প্রশ্ন —মানুষ যখন নিজের চেয়েও দ্রুত তথ্য বিশ্লেষণ করতে সক্ষম প্রযুক্তি বানিয়ে ফেলছে , তখন সেই যন্ত্রের ব্যবহারে মানবিকতা, সহমর্মিতা এবং দায়িত্ববোধ কি বাড়বে ?

Advertisement

Democratic Indians Premium

স্বামী বিবেকানন্দ যে শিক্ষার মাধ্যমে মানুষের অন্তর্নিহিত শক্তির বিকাশের উপর গুরুত্ব দিয়েছিলেন, তার একটি প্রাসঙ্গিক ব্যাখ্যা আজকের প্রযুক্তিযুগেও স্পষ্ট। শিক্ষা ও জ্ঞানের মূল্য তখনই পূর্ণতা পায়, যখন তা মানুষের কল্যাণে কাজে লাগে।

বেদান্তের চেতনা-অনুসন্ধান- ব্যাখ্যা আর আধুনিক বিজ্ঞানকে অভিন্ন বলে ধরে নেওয়ার প্রয়োজন নেই। বরং তাদের মধ্যে প্রশ্ন, যুক্তি এবং সংলাপের জায়গা তৈরি হওয়াই সুস্থতার লক্ষণ।

সিলিকন ভ্যালির গবেষণাগারে আজ যে আলোচিত হচ্ছে, তার প্রতিধ্বনি পৌঁছতে পারে কলকাতার বা প্রত্যন্ত গ্রাম বাঙলার কোনো শ্রেণিকক্ষে, বাংলার কোনও প্রত্যন্ত গ্রামের তরুণ গবেষকের মনে কিংবা প্রযুক্তি ব্যবহারকারী একজন সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনেও।

প্রযুক্তি মানুষের কাজ সহজ করবে—এটাই প্রত্যাশিত। কিন্তু মানুষের প্রতি মানুষের দায়িত্ব, ভালোবাসা এবং সহমর্মিতার বিকল্প হয়ে উঠবে না—এই উপলব্ধিও সমান জরুরি।

Advertisement

Democratic Indians Premium

সর্বোপরি, সভ্যতার ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে শুধু আমরা কতটা বুদ্ধিমান যন্ত্র তৈরি করতে পারছি তার উপর নয়; সেই বুদ্ধিমত্তাকে কতটা মানবকল্যাণে নিয়োজিত করতে পারছি, তার উপরও।

Swami Sarvapriyananda, Anthropic AI, Claude AI, Artificial Intelligence, AI Ethics, Vedanta Philosophy, Swami Vivekananda, Ramakrishna Mission, Technology News Bengali, Indian Philosophy

SHARE STORY
STORY 2 OF 10
BUSINESS

SI Surgical হাওড়ায় বানাচ্ছে বিশাল মেডিক্যাল ডিভাইস পার্ক, লক্ষাধিক বিনিয়োগ ও হাজারও কর্মসংস্থান

কেন্দ্রের Make In India ও 'মেডিকেল ডিভাইস পলিসি'-র হাত ধরে এ রাজ্যে এবার চিকিৎসা সরঞ্জাম উৎপাদন শিল্পে এক বিরাট পদক্ষেপ ফেলতে চলেছে SI Surgical. হাওড়ার চামরাইলে...

DI Desk
DI DeskEditorial
September 23, 2026
SI Surgical হাওড়ায় বানাচ্ছে বিশাল মেডিক্যাল ডিভাইস পার্ক, লক্ষাধিক বিনিয়োগ ও হাজারও কর্মসংস্থান

SI Surgical হাওড়ায় বানাচ্ছে বিশাল মেডিক্যাল ডিভাইস পার্ক, লক্ষাধিক বিনিয়োগ ও হাজারও কর্মসংস্থান

কেন্দ্রের Make In India ও 'মেডিকেল ডিভাইস পলিসি'-র হাত ধরে এ রাজ্যে এবার চিকিৎসা সরঞ্জাম উৎপাদন শিল্পে এক বিরাট পদক্ষেপ ফেলতে চলেছে SI Surgical. হাওড়ার চামরাইলে সংস্থার একটি কারখানার পর এবার প্রায় সাড়ে পাঁচ একর জমির ওপর সংস্থার আরেকটি নতুন উচ্চাভিলাষী কারখানা প্রকল্পের ভুমি পূজন হতে চলেছে আগামী ২৬ শে সেপ্টেম্বর। ফলে হাওড়ার শিল্প মানচিত্রে যুক্ত হতে চলেছে এক উজ্জ্বল অধ্যায়। রাজ্যের নয়া সরকারের ক্রমবর্ধমান শিল্পবান্ধব পরিবেশে SI Surgical এর শূন্য থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক বাজারের গণ্ডি পেরিয়ে বাংলার বুকে এই বিশাল বিনিয়োগ কেবল কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্তই উন্মোচন করবে না, বরং পূর্ব ভারতকে ভারতের অন্যতম প্রধান মেডিকেল হাব হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত করবে।

নতুন প্রকল্পের বিশেষ আকর্ষণ ও কর্মসংস্থানের হাতছানি

কেন্দ্রের Skill India র নীতি মেনে, বাংলায় এই প্রকল্পের সব থেকে নজরকাড়া দিকটি হল Skill Development Academy । কাজের সুযোগ তৈরি করাই নয়, কারিগরি শিক্ষার অভাব দূর করতে এই প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত থাকছে একটি বিশেষ দক্ষতা উন্নয়ন অ্যাকাডেমি (Skill Development Academy)।

এর ফলে হাওড়া তথা পশ্চিমবঙ্গের তরুণ প্রজন্ম এই শিল্প জগতের চাহিদা অনুযায়ী নিজেদের উপযুক্ত করে তুলতে পারবেন। এছাড়া ভবিষ্যতে এই কারখানায় রেডিয়োলজি সরঞ্জাম এবং নিয়মিত ব্যবহৃত ডিসপোজেবল চিকিৎসাসামগ্রী তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে, যার মূল লক্ষ্য উন্নত চিকিৎসা সরঞ্জাম আরও কম খরচে সাধারণ মানুষের নাগালে পৌঁছে দেওয়া।

নতুন এই সাড়ে পাঁচ একর জমির প্রকল্পটি কেবল একটি সাধারণ কারখানা নয়; এটিকে একটি পূর্ণাঙ্গ মেডিকেল ডিভাইস পার্ক হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।

ছোট ব্যবসা থেকে আন্তর্জাতিক খ্যাতি: সাফল্যের অনন্য রূপকথা

Advertisement

Democratic Indians Premium

আজকের এই সাফল্যের পিছনে রয়েছে সংস্থার ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও শ্রী সঞ্জয় মুখার্জির প্রায় দুই দশকের নিরলস সংগ্রাম ও অধ্যাবসায়। ২০০৬ সালে মায়ের কাছ থেকে পাওয়া মাত্র সাত হাজার টাকা এবং মোটে ৪০ বর্গফুটের একটি ছোট অফিস ঘর নিয়ে ব্যবসা শুরু করেছিলেন তিনি। প্রথমে চিকিৎসা সরঞ্জামের কেনাবেচা দিয়ে শুরু হলেও, পরবর্তীকালে পূর্ব ভারতে এই শিল্পের বিপুল সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে ২০১২ সালে সরাসরি উৎপাদনে প্রবেশ করেন তিনি।

বর্তমানে হাওড়ার চামরাইলে সংস্থাটির প্রায় এক লক্ষ বর্গফুটের একটি কারখানা এবং ১০ হাজার বর্গফুটের গবেষণা ও উন্নয়ন (R&D) পরিকাঠামো রয়েছে। অপারেশন টেবিল, অত্যাধুনিক অস্ত্রোপচারের আলো এবং মডুলার অপারেশন থিয়েটারের প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম তৈরিতে ইতিমধ্যেই মুন্সিয়ানা দেখিয়েছে SI Surgical। শুধু দেশের গণ্ডিই নয়, দুবাইয়ের আন্তর্জাতিক দপ্তর এবং ইথিওপিয়ায় উৎপাদন উদ্যোগের মাধ্যমে ভারতের বাইরে প্রায় ৩২টি দেশে পৌঁছে গেছে এই বাংলার সংস্থার তৈরি জীবনদায়ী চিকিৎসা সরঞ্জাম।

বিশাল বাজার ও সম্প্রসারণের রোডম্যাপ

দেশের দ্রুত বর্ধনশীল চিকিৎসা সরঞ্জাম ক্ষেত্রকে নজরে রেখেই এই বড়সড় বাজি ধরেছে বাংলার এই সংস্থা। বর্তমানে ভারতের মেডিক্যাল ইকুইপমেন্ট সেক্টরের বাজারমূল্য প্রায় ১৫ থেকে ১৮ বিলিয়ন ডলার, যা ১৬ শতাংশ চক্রবৃদ্ধি হারে (CAGR) বৃদ্ধি পেয়ে ২০৩০ সালের মধ্যে প্রায় ৫০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। এই বিশাল সম্ভাবনাময় বাজারের সঙ্গে তাল মেলাতেই হাওড়ার চামরাইলে অবস্থিত বর্তমান এক লক্ষ বর্গফুটের উৎপাদন ইউনিট এবং ১০ হাজার বর্গফুটের গবেষণা ও উন্নয়ন (R&D) কেন্দ্রের পাশেই প্রায় ৫.৫ একর জমির ওপর এই নতুন বৃহত্তর কারখানাটি গড়ে তোলা হচ্ছে ।

রাজ্য ও কেন্দ্র সরকারের বাণিজ্যিক পদক্ষেপ এবং বাংলার পুনরুত্থান

সাম্প্রতিক বছরগুলিতে কেন্দ্র সরকারের 'ন্যাশনাল মেডিকেল ডিভাইস পলিসি' এবং স্বাস্থ্যখাতে দেশীয় উৎপাদন বাড়ানোর নীতি দেশের চিকিৎসা সরঞ্জাম শিল্পকে এক বিশাল গতি দিয়েছে। পাশাপাশি, রাজ্য সরকারের 'সিলিকন ভ্যালি', 'বিশ্ব বাংলা বাণিজ্য সম্মেলন' এবং বিভিন্ন শিল্পবান্ধব পলিসির কারণে পশ্চিমবঙ্গে ছোট ও মাঝারি শিল্প (MSME) থেকে শুরু করে বড় বড় ম্যানুফ্যাকচারিং ইউনিট গড়ে তোলার পরিবেশ যথেষ্ট অনুকূল হয়েছে। কেন্দ্র ও রাজ্যের এই দ্বিমুখী বাণিজ্যিক সহযোগিতার ফলেই এসআই সার্জার্জিকেলের মতো সংস্থাগুলি বাংলায় বড় ধরনের লগ্নি করতে উৎসাহিত হচ্ছে।

Advertisement

Democratic Indians Premium

স্বামী বিবেকানন্দের আদর্শকে নিজের জীবনের পাথেয় করে চলা উদ্যোক্তা সঞ্জয় মুখার্জির শৈশবের আর্থিক অনটনের দিনগুলি আজ শত শত পরিবারের মুখে হাসি ফোটার অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে। বিনিয়োগের নির্দিষ্ট অংক বা নিয়োগের দিনক্ষণ এখনও পুরোপুরি স্পষ্ট না হলেও, ২৬ সেপ্টেম্বরের এই ভূমিপুজো যে বাংলার স্বাস্থ্য পরিকাঠামো ও শিল্পায়নকে এক অন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবে, সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই।

SHARE STORY
STORY 3 OF 10
INDIA

মুম্বাই অ্যান্টিলিয়ায় শুভেন্দু আম্বানি বৈঠকঃ বিষয় পশ্চিমবঙ্গের শিল্প

গনেশ পুজোর আবহেই হয়ে গেল শুভেন্দু আম্বানি বৈঠক । দেশের অন্যতম শীল্প ব্যক্তিত্ব রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান মুকেশ আম্বানির সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈ...

DI Desk
DI DeskEditorial
September 22, 2026
মুম্বাই অ্যান্টিলিয়ায় শুভেন্দু আম্বানি বৈঠকঃ বিষয় পশ্চিমবঙ্গের শিল্প

মুম্বাই অ্যান্টিলিয়ায় শুভেন্দু আম্বানি বৈঠকঃ বিষয় পশ্চিমবঙ্গের শিল্প

গনেশ পুজোর আবহেই হয়ে গেল শুভেন্দু আম্বানি বৈঠক । দেশের অন্যতম শীল্প ব্যক্তিত্ব রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান মুকেশ আম্বানির সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে কথা হল কর্মসংস্থান থেকে পশ্চিমবঙ্গে বড় মাপের বিনিয়োগ নিয়ে। মুম্বাইতে আম্বানি পরিবারের বাসভবন 'অ্যান্টিলিয়া'-য় এই সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এই বৈঠককে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই রাজ্য রাজনীতি ও অর্থনৈতিক মহলে শুরু হয়ে গেল ব্যাপক জল্পনা ও ইতিবাচক আলোচনা। একদিকে বিজেপির রাজ্য সভাপতির বিড়লা দের সঙ্গে বৈঠক পাশাপাশি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর আম্বানির সঙ্গে বৈঠক যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ।

বৈঠক ও আলোচনার মূল বিষয়বস্তু

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর x হ্যান্ডেলের পোস্ট অনুযায়ী, জানা গিয়েছে এই বৈঠকে কেবল সাধারণ সৌজন্য বিনিময়ই হয়নি, বরং রাজ্যের অর্থনৈতিক প্রগতি নিয়েও গভীর আলোচনা হয়েছে। আলোচনা হয়েছে রাজ্যের যুব সমাজের জন্য কর্মসংস্থান ও বড় মাপের বিনিয়োগ নিয়েও ।

বিনিয়োগের সম্ভাবনা: বাংলার ভৌগোলিক অবস্থান এবং পরিকাঠামো কাজে লাগিয়ে কীভাবে বড় শিল্প সংস্থাকে কিভাবে এ রাজ্যে বিনিয়োগে আগ্রহী করা যায় , সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

প্রসঙ্গত বলা ভালো গত সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল টাটার মতো শিল্প সংস্থার এ রাজ্য থেকে সড়ে যাওয়ার মধ্যে দিয়ে , আর সে বদনাম ঘুচিয়ে রিলায়েন্সের মতো সংস্থা এ রাজ্যে বিনিয়োগে নতুন করে ভাবলে তা সদর্থক ভুমিকা নেবেই তা বলা বাহুল্য।

সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন: বৈঠকের শুরুতে গণেশ বন্দনার পাশাপাশি আম্বানি পরিবারকে মা কালীর একটি বিশেষ পবিত্র স্মারক উপহার দেন মুখ্যমন্ত্রী, যা বাংলার সংস্কৃতিরই এক অনন্য বহিঃপ্রকাশ।

Advertisement

Democratic Indians Premium

অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবন: রাজ্যের তরুণ প্রজন্মের মেধা ও দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে একটি টেকসই অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবন ঘটানোর ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গের শিল্প ও উন্নয়নের নয়া সমীকরণ

শিল্প ক্ষেত্রের নয়া সমীকরণ বলছে রাজ্যের বেকারত্ব দূরীকরণ এবং বিনিয়োগ নিয়ে আসার এই ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। দীর্ঘদিন ধরেই শিল্পায়ন নিয়ে বাংলা পিছিয়ে রয়েছে—এমন অভিযোগ অতীতে বারবার উঠে এসেছে। এই পরিস্থিতিতে দেশের শীর্ষ শিল্পপতির সঙ্গে এই ধরণের উচ্চপর্যায়ের আলোচনা ভবিষ্যতের জন্য নতুন আশার সঞ্চার করে। বিনিয়োগকারীরা সবসময় একটি স্থিতিশীল ও অনুকূল পরিবেশ চান, এবং সেই পরিবেশ তৈরির সপক্ষে এই ধরনের সরাসরি যোগাযোগ অত্যন্ত ইতিবাচক বার্তা দেয়।

মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে শিল্পপতি মুকেশ আম্বানির এই বৈঠক বাংলার অর্থনৈতিক উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে। আগামী দিনে এই আলোচনার ফল রাজ্যে নতুন কোনো বড় প্রকল্প বা বিনিয়োগের পথ প্রশস্ত হয় কিনা তা সময় বলবে ...

SHARE STORY
STORY 4 OF 10
INDIA

পশ্চিমবঙ্গে শিল্প বিনিয়োগঃবিড়লাদের সঙ্গে বৈঠক শমীক ভট্টাচার্যের

নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রাখতে পশ্চিমবঙ্গে শিল্প বিনিয়োগ বড় চ্যালেঞ্জ রাজ্য বিজেপির। অর্থনৈতিক প্রগতি এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে রাজনৈতিক স...

DI Desk
DI DeskEditorial
September 22, 2026
পশ্চিমবঙ্গে শিল্প বিনিয়োগঃবিড়লাদের সঙ্গে    বৈঠক শমীক ভট্টাচার্যের

পশ্চিমবঙ্গে শিল্প বিনিয়োগঃবিড়লাদের সঙ্গে বৈঠক শমীক ভট্টাচার্যের

নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রাখতে পশ্চিমবঙ্গে শিল্প বিনিয়োগ বড় চ্যালেঞ্জ রাজ্য বিজেপির। অর্থনৈতিক প্রগতি এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে রাজনৈতিক সীমানা পেরিয়ে শিল্পায়নের সপক্ষে বার্তা দেওয়া এখন সময়ের দাবি। তাই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী থেকে দলের সভাপতি সবাই ছুটছেন শিল্প পতিদের দুয়ারে। একের পর এক শিল্পের বিনিয়োগের বার্তা আসলেও এ রাজ্যের দীর্ঘদিন শিল্প মন্দার করুণ দশার দিশা দেখতে এখনও অভ্যস্ত হয় নি নয়া প্রজন্ম। তবে সম্প্রতি বিশিষ্ট রাজনৈতিক নেতা শমীক ভট্টাচার্য তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে আদিত্য বিড়লা গ্রুপের চেয়ারম্যান শ্রী কুমার মঙ্গলম বিড়লার সঙ্গে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ফলপ্রসূ বৈঠকের কথা জানিয়েছেন। এই বৈঠক ঘিরে রাজ্যজুড়ে শিল্পমহলে এবং রাজনৈতিক বৃত্তে শুরু হয়েছে ইতিবাচক আলোচনা।

বৈঠক ও আলোচনার মূল বিষয়বস্তু

বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট অনুযায়ী, এই বৈঠকে মূলত পশ্চিমবঙ্গের ভৌগোলিক সুবিধা, দক্ষ মানবসম্পদ, উন্নত যোগাযোগ পরিকাঠামো এবং উৎপাদনমুখী শিল্পের অনুকূল পরিবেশ নিয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরেই বাংলা থেকে বড় শিল্পগুলি মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে—এমন একটি ধারণা রাজনৈতিক মহলে প্রচলিত ছিল। তবে এই ধরনের উচ্চপর্যায়ের বৈঠক প্রমাণ করছে যে, রাজ্যের বিদ্যমান শিল্পের সম্প্রসারণ এবং নতুন বিনিয়োগ টানার প্রচেষ্টা এখন আরও জোরালো হচ্ছে।

শিল্প পরিকাঠামো: বন্দরের সুবিধা এবং উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা কীভাবে লগ্নিকারীদের আকৃষ্ট করছে, তা বৈঠকে গুরুত্ব পেয়েছে।

কর্মসংস্থান বৃদ্ধি: বাংলাকে দেশের অন্যতম প্রধান কর্মসংস্থানের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।

অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে এর গুরুত্ব

বাম আমল বা শেষ মমতা জমানায় যেভাবে শ্রম আন্দোলন ও শিল্প মন্দার জেরে বাংলার শিল্পায়ন হোঁচট খেয়েছিল, তা কাটিয়ে উঠতে এখন প্রয়োজন একটি সমন্বিত ও নমনীয় শিল্পনীতি। বিজেপির ঘনিষ্ট মহল অবশ্য বলছে এই বৈঠকে রাজ্যের শিল্প সম্ভাবনা নিয়ে যে খোলামেলা আলোচনা হয়েছে, তা আগামী দিনে অন্যান্য বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠীগুলিকেও বাংলায় বিনিয়োগ করতে উৎসাহিত করবে। কর্মসংস্থানের অভাব ঘুচাতে এবং যুবসমাজকে রাজ্যে ধরে রাখতে এই ধরনের শিল্পবান্ধব পদক্ষেপ অত্যন্ত জরুরি।

Advertisement

Democratic Indians Premium

তবে উল্লেখযোগ্য কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে রাজ্য বিজেপি সভাপতির আলোচনা, একাধিক বানিজ্য গোষ্ঠীর সঙ্গে আলাপ এক গুরুত্বপূর্ণ বার্তা যেমন দেয় তেমন দলগত রাজনৈতিক মতপার্থক্যের ঊর্ধ্বে উঠে বাংলার সার্বিক উন্নয়নে এই উদ্যোগ এক ইতিবাচক বার্তাও বটে ।

SHARE STORY
STORY 5 OF 10
INDIA

বেহালা বিমানবন্দর সচলে উদ্যোগী রাজ্য: কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক বিধায়ক ইন্দ্রনীল খাঁর

DI Desk : দীর্ঘদিনের অবহেলা কাটিয়ে দক্ষিণ কলকাতার বেহালা বিমানবন্দর (Behala Airport) ফের সচল ও বাণিজ্যিকভাবে কর্মক্ষম করে তোলার লক্ষ্যে তৎপর হলো পশ্চিমবঙ্গ সরক...

DI Desk
DI DeskEditorial
August 31, 2026
বেহালা বিমানবন্দর সচলে  উদ্যোগী রাজ্য: কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক বিধায়ক ইন্দ্রনীল খাঁর

বেহালা বিমানবন্দর সচলে উদ্যোগী রাজ্য: কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক বিধায়ক ইন্দ্রনীল খাঁর

DI Desk : দীর্ঘদিনের অবহেলা কাটিয়ে দক্ষিণ কলকাতার বেহালা বিমানবন্দর (Behala Airport) ফের সচল ও বাণিজ্যিকভাবে কর্মক্ষম করে তোলার লক্ষ্যে তৎপর হলো পশ্চিমবঙ্গ সরকার। রবিবার নয়াদিল্লিতে কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রী শ্রী রামমোহন নাইডু মহাশয়ের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ উচ্চপর্যায়ের বৈঠক সম্পন্ন করেছেন বেহালা পশ্চিমের বিধায়ক তথা রাজ্য সরকারের ক্রীড়ামন্ত্রী ডাঃ ইন্দ্রনীল খাঁ। দীর্ঘদিন ধরে অব্যবহৃত পড়ে থাকা এই বিমানবন্দরটি চালু করার জন্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শ্রী শুভেন্দু অধিকারী নিজে উদ্যোগী হয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর কাছে একটি বিশেষ আনুষ্ঠানিক ডি.ও. চিঠি (D.O. No. CMO/47/26) পাঠিয়েছেন। এই জোরালো পদক্ষেপে দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও কলকাতার অর্থনৈতিক ও পরিকাঠামো উন্নয়নে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে চলেছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

এয়ার ট্রাফিক হ্রাস এবং আঞ্চলিক যোগাযোগের প্রসার

বিশ্লেষকদের মতে, বেহালা বিমানবন্দর (Behala Airport) সচল হলে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (NSCBI Airport)-এর ওপর থেকে যাত্রী ও ফ্লাইটের অতিরিক্ত চাপ অনেকটাই কমবে। পাশাপাশি, দক্ষিণবঙ্গ ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে এটি এক বিপ্লব ঘটাবে। জরুরি চিকিৎসা পরিষেবা বা এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের যাতায়াত দ্রুততর করার পাশাপাশি এই অঞ্চলের শিল্পায়ন, বাণিজ্য এবং পর্যটন শিল্পকে দারুণভাবে ত্বরান্বিত করবে। আঞ্চলিক যোগাযোগ বৃদ্ধির সরকারি 'উড়ান' (UDAN) প্রকল্পের আওতায় এই বিমানবন্দরটিকে নিয়ে আসার জোরালো দাবি জানানো হয়েছে। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে জমি অধিগ্রহণ, নিরাপত্তা সুনিশ্চিতকরণ এবং অন্যান্য সমস্ত প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ছাড়পত্র প্রদানে সম্পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

বেহালা বিমানবন্দর চালুর রূপরেখা ও মুখ্যমন্ত্রীর বিশেষ চিঠি

মুখ্যমন্ত্রী শ্রী শুভেন্দু অধিকারী গত ১৩ আগস্ট, ২০২৬ তারিখে পাঠানো তাঁর চিঠিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রামমোহন নাইডুকে স্পষ্টভাবে স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন যে, বেহালা বিমানবন্দরটিতে বর্তমানে ৯১৫ মিটার দীর্ঘ একটি রানওয়ে রয়েছে। এই রানওয়েটি এয়ারবাস বা বড় বিমান না হলেও ATR-72 প্যাসেঞ্জার এয়ারক্রাফ্ট, এয়ার অ্যাম্বুলেন্স এবং চার্টার্ড ফ্লাইট পরিচালনার জন্য সম্পূর্ণ উপযুক্ত। সম্প্রতি সম্পন্ন হওয়া একটি ড্রোন সার্ভের রিপোর্ট অনুযায়ী, এই বিমানবন্দর চত্বরে কলকাতা ব্লকের অন্তর্গত গোপালপুর, বেহালা এবং পোরুই—এই তিনটি মৌজা মিলিয়ে মোট ২১৫.৫৮৭৫ একর জমি রয়েছে। ফলে পরিকাঠামোগত কোনো বড় বাধা ছাড়াই বিমান পরিষেবা শুরু করার বিশাল সুযোগ এখানে বিদ্যমান।

অর্থনৈতিক বিকাশ ও কর্মসংস্থানের নতুন সম্ভাবনা

দক্ষিণ কলকাতার এই বিমানবন্দরটি বাণিজ্যিকভাবে চালু হলে বেহালা ও তার আশপাশের এলাকায় পরিকাঠামো উন্নয়ন বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে। বহু তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। স্থানীয় ব্যবসায়ী মহল থেকে শুরু করে সাধারণ নাগরিকরাও এই উদ্যোগে অত্যন্ত আশাবাদী। দীর্ঘদিন ধরে ফাইলবন্দী থাকা এই প্রজেক্টটি এখন বাস্তবায়নের পথে এক ধাপ এগোনওয় সর্বস্তরে ইতিবাচক সাড়া মিলেছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সঙ্গে ডাঃ ইন্দ্রনীল খাঁর এই ইতিবাচক বৈঠকের পর দ্রুত সেন্ট্রাল এভিয়েশন মিনিস্ট্রি ও এয়ারপোর্ট অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার পক্ষ থেকে পরিদর্শক দল বা যৌথ কমিটি গঠিত হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

"বেহালা বিমানবন্দর সচল করার এই উদ্যোগ শুধুমাত্র একটি পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন নয়, এটি দক্ষিণ কলকাতার সামগ্রিক অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবনের এক অন্যতম চাবিকাঠি।" — বিশেষজ্ঞ মতামত।

Advertisement

Democratic Indians Premium

সব মিলিয়ে, কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের এই সমন্বিত প্রচেষ্টায় বেহালা বিমানবন্দর (Behala Airport) অচিরেই ডানা মেলবে এবং উত্তরোত্তর উন্নতির পথে এগিয়ে যাবে দক্ষিণবঙ্গ—এমনটাই এখন সকলের প্রত্যাশা। ডেমোক্রেটিক ইন্ডিয়ান্স এই গুরুত্বপূর্ণ খবরের প্রতিটি আপডেট আপনাদের সামনে তুলে ধরতে বদ্ধপরিকর।

© ২০২৬ ডেমোক্রেটিক ইন্ডিয়ান্স পোর্টাল। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। মানসম্মত ও নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার প্রতীক।

SHARE STORY
STORY 6 OF 10
BUSINESS

Baranagar Barrackpore Metro Pink Line: KMC-র NOC।এবার ব্যারাকপুর থেকে মেট্রো রেল

বহু প্রতিক্ষীত Baranagar Barrackpore Metro Pink Line প্রকল্পের কাজের গতি বাড়াতে অবশেষে এক বিশাল প্রশাসনিক বাধা দূর হয়েছে।কলকাতার উত্তর শহরতলীর বাসিন্দাদের জন্য ...

DI Desk
DI DeskEditorial
August 25, 2026
Baranagar Barrackpore Metro Pink Line: KMC-র NOC।এবার ব্যারাকপুর থেকে মেট্রো রেল

Baranagar Barrackpore Metro Pink Line: KMC-র NOC।এবার ব্যারাকপুর থেকে মেট্রো রেল

বহু প্রতিক্ষীত Baranagar Barrackpore Metro Pink Line প্রকল্পের কাজের গতি বাড়াতে অবশেষে এক বিশাল প্রশাসনিক বাধা দূর হয়েছে।কলকাতার উত্তর শহরতলীর বাসিন্দাদের জন্য এক বিরাট আশার আলো দেখালেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী । তাহলে কি অতি সত্ত্বর ব্যারাকপুর থেকেও চলবে মেট্রো রেল ? বি টি রোড (B.T. Road) বরাবর এই গুরুত্বপূর্ণ মেট্রো করিডোর নির্মাণের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরে যে জট তৈরি হয়েছিল, কলকাতা পৌরসংস্থার (KMC) দেওয়া অনাপত্তি পত্র বা নো অবজেকশন সার্টিফিকেট (NOC) পাওয়ার পর তার কার্যকরী সমাধান ঘটল। এই সাফল্যকে স্বাগত জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘এক্স’-এ (X) তথ্য প্রকাশ করেছেন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

কলকাতা পৌরসংস্থার অ্যাডমিনিস্ট্রেটর ও মিউনিসিপাল কমিশনার স্মিতা পান্ডের স্বাক্ষরিত সরকারি চিঠি থেকে জানা যাচ্ছে, রেল বিকাশ নিগম লিমিটেড (RVNL)-কে এই NOC দেওয়া হয়েছে। বি টি রোড সংলগ্ন এলাকায় পরিপূরক পরিকাঠামো উন্নয়নের কাজ শেষ করে মেট্রোর নির্মাণকাজ ত্বরান্বিত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

বি টি রোডে যানজট মুক্তি ও গতিশীল গণপরিবহন

শুভেন্দু অধিকারী তাঁর এক্স-পোস্টে জানান, ১২ কিলোমিটার দীর্ঘ এই Baranagar Barrackpore Metro Pink Line উত্তর ২৪ পরগনা ও কলকাতার যোগাযোগ ব্যবস্থার মানচিত্রে বড়সড় পরিবর্তন আনবে। প্রতিদিন বি টি রোডে যানজটের সম্মুখীন হওয়া হাজার হাজার সাধারণ মানুষের যাতায়াতের সময় অনেকটা কমে যাবে এবং এটি একটি নিরাপদ ও আধুনিক গণপরিবহন মাধ্যম হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, কেন্দ্র ও রাজ্যের প্রশাসনিক সংস্থাগুলির মধ্যে সঠিক পারস্পরিক সমন্বয় ও ইতিবাচক মনোভাব বজায় থাকলে এই ধরণের জটিল পরিকাঠামোগত সমস্যা সহজেই সমাধান করা সম্ভব। নগর পরিকল্পনা ও সমন্বিত শাসনের এই ধারা বজায় থাকলে উত্তর কোলকাতার এই দীর্ঘদিনের সমস্যার স্থায়ী সমাধান হতে চলেছে।

পানীয় জলের পাইপলাইন ও টেকনিক্যাল সমাধানের পথ

বরানগর থেকে ব্যারাকপুর পর্যন্ত মেট্রো পথ তৈরির ক্ষেত্রে সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল বি টি রোডের মাটির নিচে থাকা কলকাতা শহরের প্রধান পানীয় জল সরবরাহ ব্যবস্থার সুরক্ষা। কেএমসি-র জারি করা এই এনওসি সূত্রে জানা গিয়েছে, মাটির নিচে থাকা পুরানো ৪৮ ইঞ্চি ব্যাসের কাস্ট আয়রন (C.I.) ওয়াটার ট্রান্সমিশন মেইন বন্ধ ও আলাদা করার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

এর পাশাপাশি, ইন্দিরা গান্ধী ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (IGWTP, পলতা) থেকে টালা পাম্পিং স্টেশন (TPS) পর্যন্ত একটি নতুন ৭২ ইঞ্চি ব্যাসের বিশাল ওয়াটার ট্রান্সমিশন পাইপলাইন বসানোর কাজও মেট্রো প্রকল্পের পাশাপাশি সমান্তরালভাবে চালানো হবে। পুরানো মূল পানীয় জল সরবরাহ ব্যবস্থার সুরক্ষা নিশ্চিত করে এবং বিকল্প পরিকাঠামো তৈরি করে এই ১২ কিলোমিটার দীর্ঘ মেট্রো করিডোরের নির্মাণ সম্পন্ন করা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ক্ষেত্রে এক অন্যতম নিদর্শন হতে চলেছে।

Advertisement

Democratic Indians Premium

SHARE STORY
STORY 7 OF 10
INDIA

Regenerative Agriculture: নয়া ভারতের পরিকল্পিত ভবিষ্যৎ

হাজার বছরের কৃষি নির্ভর ভারতের কৃষি জমি গুলি ক্রমাগত অতিরিক্ত রাসায়নিক সারের ব্যবহার, অনিয়মিত বৃষ্টিপাত এবং মাটির ক্ষয় আজ ভারতের কৃষিক্ষেত্রে এক গুরুতর সংকট ...

DI Desk
DI DeskEditorial
August 23, 2026
Regenerative Agriculture: নয়া ভারতের পরিকল্পিত ভবিষ্যৎ

Regenerative Agriculture: নয়া ভারতের পরিকল্পিত ভবিষ্যৎ

হাজার বছরের কৃষি নির্ভর ভারতের কৃষি জমি গুলি ক্রমাগত অতিরিক্ত রাসায়নিক সারের ব্যবহার, অনিয়মিত বৃষ্টিপাত এবং মাটির ক্ষয় আজ ভারতের কৃষিক্ষেত্রে এক গুরুতর সংকট তৈরি করেছে। চরম আবহাওয়া ও বাড়তে থাকা উৎপাদন খরচের মুখে পড়ে দেশের ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকেরা প্রতিদিন নতুন করে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছেন। এই কঠিন পরিস্থিতিতে ভারতীয় কৃষিব্যবস্থায় এক যুগান্তকারী সমাধান হিসেবে উঠে এসেছে পুনরুজ্জীবনমূলক কৃষি (Regenerative Agriculture)। এটি কেবল ক্ষয়প্রাপ্ত মাটির প্রাণ ফিরিয়ে আনছে না, বরং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে কৃষিকে আরও প্রতিরোধী করে তুলছে।

Regenerative Agriculture কৃষি কী এবং কেনো ?

আসলে আমরা গত কয়েক বছরে কার্বন ক্রেডিট , কার্বন সঞ্চয় এই শব্দ গুলো শুনলেও তেমন একটা আমল দিই নি । কেনো না দেশের কৃষি ব্যবস্থার প্রভাব যে কতটা আম জনতার খাদ্য স্বাধীনতায় পড়তে চলেছে তা ভাবতেই সময় লেগে গেল । তাই আজ জানাটা দরকার এই ধরনের কৃষি কি করবে ?

Regenerative Agriculture একটি পরিবেশবান্ধব কৃষিপদ্ধতি যা মাটির ইকোসিস্টেম বা বাস্তুতন্ত্রকে নতুন করে সাজিয়ে তোলে। সাধারণ বা প্রচলিত কৃষিকাজের বিপরীতে হেঁটে এই পদ্ধতি মাটির প্রাকৃতিক উর্বরতা বৃদ্ধি, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং কার্বন সঞ্চয়ের ওপর গুরুত্ব দেয়।

Regenerative Agriculture এর প্রধান নীতিগুলোর মধ্যে রয়েছে—মাটির উপরিভাগকে সর্বদা ফসলের অবশিষ্টাংশ বা কভার ক্রপ দিয়ে ঢেকে রাখা, রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের ব্যবহার কমানো, গবাদি পশুকে কৃষিব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করা এবং বহুবিধ ফসলের চাষ করা। স্থানীয়ভাবে তৈরি বীজামৃত, জীবামৃত এবং নো-টিলেজ (No-till) চাষের মাধ্যমে মাটির ভেতরের উপকারী অণুজীব সক্রিয় থাকে, যা দীর্ঘমেয়াদে ফলন বাড়াতে সাহায্য করে।

Food Politics এ পরিবেশ সংরক্ষণ ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি

মাটির স্বাস্থ্য রক্ষা এবং পরিবেশের সামঞ্জস্য বজায় রেখে কৃষকদের টেকসই সমৃদ্ধি নিশ্চিত করাই হলো আধুনিক ভারতের এই নতুন কৃষি বিপ্লবের মূল লক্ষ্য। অভিজ্ঞ মহল মনে করছে, সঠিক বাস্তবায়নই আগামী দিনে ভারতীয় কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তাকে শক্তিশালী করে তুলবে।

Advertisement

Democratic Indians Premium

Regenerative Agriculture বা পুনরুজ্জীবনমূলক কৃষি গ্রহণ করার ফলে একদিকে যেমন সারের খরচ কমে কৃষকের নিট আয় ও মুনাফা বৃদ্ধি পাচ্ছে, অন্যদিকে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলায় তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এই পদ্ধতিতে সুস্থ মাটি বেশি পরিমাণে জল ধরে রাখতে পারে এবং বাতাস থেকে কার্বন শুষে নিয়ে বায়ুমণ্ডলের ভারসাম্য রক্ষা করে।

সরকারি উদ্যোগ ও নীতিগত সহায়তা

ভারতের কৃষিক্ষেত্রে এই পরিবর্তন তরান্বিত করতে ভারত সরকার একাধিক প্রশংসনীয় প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। ‘জাতীয় প্রাকৃতিক কৃষি মিশন’ (National Mission on Natural Farming) এবং ‘পরম্পরাগত কৃষি বিকাশ যোজনা’ (PKVY)-র মাধ্যমে লাখ লাখ কৃষককে প্রাকৃতিক কৃষিকাজে প্রশিক্ষণ ও আর্থিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

একই সঙ্গে, ‘পার ড্রপ মোর ক্রপ’ (PDMC) প্রকল্পের মাধ্যমে ড্রিপ ও স্প্রিংকলার সেচ ব্যবস্থার প্রসারে জলের অপচয় উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। পাশাপাশি, ‘সয়েল হেলথ কার্ড’ (Soil Health Card) স্কিম কৃষকদের জমির পুষ্টি উপাদান বুঝে সুষম সার ব্যবহারের সঠিক দিকনির্দেশনা দিচ্ছে।

তবে এই Regenerative Agriculture এর উদ্যোগ দেরিতে হলেও চলতি সরকার এর এমন উদ্যোগ সাধুবাদের যোগ্য। তবে সরকারি উদ্যোগের কার্যকরী দিকটি সফল হলো কিনা তা দেশের food politics এ সক্রিয় মানুষজন নজর রাখবেন।

Advertisement

Democratic Indians Premium

SHARE STORY
STORY 8 OF 10
HOME

কলকাতায় NEET বিক্ষোভ ও সাংবাদিক নিগ্রহ: জলপাইগুড়িতে মুখ্যমন্ত্রীর স্মারকলিপি প্রদান ও সুরক্ষার দাবি

কলকাতা ও জলপাইগুড়ি: গত ২৪ জুলাই কলকাতার NEET বিক্ষোভ ও সাংবাদিক নিগ্রহ: NEET বিক্ষোভ চলাকালীন সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকদের ওপর বর্বরোচিত হামলার ঘটনায় রাজ...

DI Desk
DI DeskEditorial
July 27, 2026
কলকাতায় NEET বিক্ষোভ ও সাংবাদিক নিগ্রহ: জলপাইগুড়িতে মুখ্যমন্ত্রীর স্মারকলিপি প্রদান ও সুরক্ষার দাবি

কলকাতায় NEET বিক্ষোভ ও সাংবাদিক নিগ্রহ: জলপাইগুড়িতে মুখ্যমন্ত্রীর স্মারকলিপি প্রদান ও সুরক্ষার দাবি

কলকাতা ও জলপাইগুড়ি: গত ২৪ জুলাই কলকাতার NEET বিক্ষোভ ও সাংবাদিক নিগ্রহ: NEET বিক্ষোভ চলাকালীন সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকদের ওপর বর্বরোচিত হামলার ঘটনায় রাজ্যজুড়ে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আজ জলপাইগুড়িতে সাংবাদিকদের একটি প্রতিনিধিদল সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী-র হাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্মারকলিপি তুলে দেয়। বর্তমান সরকারের আমলে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে পূর্ববর্তী সরকারের তুলনায় ইতিবাচক পদক্ষেপ নেওয়ার প্রসঙ্গটিও এই সাক্ষাতে বিশেষ গুরুত্ব পায়।

প্রতিবাদের ঝড় ও প্রেস ক্লাবের মানব বন্ধন

সোমবার প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার শতাধিক সাংবাদিক কলকাতার প্রেস ক্লাব থেকে রানি রাসমণি অ্যাভিনিউ পর্যন্ত এক বিশাল প্রতিবাদ মিছিল করেন। কলকাতা ও বিভিন্ন জেলার চিত্রসাংবাদিক, রিপোর্টার, ভিডিও জার্নালিস্ট এবং ডিজিটাল কন্টেন্ট স্রষ্টারা এই মিছিলে অংশ নেন। পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সংবাদকর্মীদের নিরাপত্তার দাবিতে তাঁরা একটি মানব বন্ধনও তৈরি করেন। এদিকে, পুলিশের তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে ২৪ জুলাইয়ের ঘটনায় ধৃতদের মধ্যে ৫ জনকে ঘটনাস্থল পুনর্নির্মাণের জন্য এসপ্ল্যানেডের ডোরিনা ক্রসিংয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। আহত সাংবাদিকরাও লোকভবনে গিয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে দেখা করে ঘটনার বিবরণ দেন এবং দ্রুত বিচার দাবি করেন।

মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাসে অতীতের তুলনা ও কঠোর পদক্ষেপ

জলপাইগুড়িতে স্মারকলিপি গ্রহণের পর মুখ্যমন্ত্রী জানান, সাংবাদিক নিগ্রহের ঘটনা মোটেও বরদাস্ত করা হবে না। বিগত সরকারের আমলে সাংবাদিকদের ওপর হামলা হলে ঘটনাগুলি শুধু সাধারণ ডায়েরি (GD)-তেই আটকে থাকত এবং এফআইআর (FIR) পর্যন্ত গড়াত না। কিন্তু বর্তমান সরকার ঘটনার গুরুত্ব বুঝে সঙ্গে সঙ্গে জামিনঅযোগ্য ধারায় এফআইআর দায়ের করেছে এবং ইতিমধ্যেই ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। অতীতেও সাংবাদিকরা আক্রান্ত হলে তিনি নিজে হাসপাতালে গিয়ে তাঁদের খোঁজ নিয়েছেন বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। এই ঘটনায় আহত সাংবাদিকদের সুচিকিৎসা এবং সরকারের তরফ থেকে সবরকম সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

স্মারকলিপিতে সুরক্ষার ৭ দফা দাবি

জলপাইগুড়িতে পেশ হওয়া স্মারকলিপিতে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষা এবং সাংবিধানিক অধিকারের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। সংবিধানের ১৯(১)(এ) ধারানুযায়ী বাকস্বাধীনতা ও সংবাদমাধ্যমের তথ্য সংগ্রহের অধিকারের বিষয়টি তুলে ধরা হয়।

Advertisement

Democratic Indians Premium

প্রধান দাবিগুলির মধ্যে রয়েছে:

  • দ্রুত তদন্ত ও বিচার: এই হামলার একটি নিরপেক্ষ, পক্ষপাতহীন এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সম্পন্ন হওয়া তদন্ত।

  • কঠোর শাস্তি: ঘটনার সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও আইনানুগ শাস্তি প্রদান।

  • চিকিৎসা ও ক্ষতিপূরণ: আহত সাংবাদিকদের বিনামূল্যে উন্নত চিকিৎসা এবং দোষীদের কাছ থেকে চিকিৎসার খরচ আদায়।

  • Advertisement

    Democratic Indians Premium

  • বিশেষ সুরক্ষা: রাজনৈতিক সভা ও জনসমাবেশে মহিলা সাংবাদিকদের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা এবং পুলিশ প্রশাসনের স্পষ্ট নির্দেশিকা।

  • সাংবাদিক মহলের মতে, এই ধরনের হিংসাত্মক ঘটনা জনসমক্ষে সঠিক ও নিরপেক্ষ তথ্য তুলে ধরার ক্ষেত্রে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। সরকারের তরফ থেকে যথাযথ আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হলেও, ভবিষ্যতে এহেন ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে আরও সুনির্দিষ্ট প্রশাসনিক প্রোটোকল জরুরি।

    SHARE STORY
    STORY 9 OF 10
    HOME

    রাজ্যের সীমানা অঞ্চলগুলি BSF সীমান্ত সুরক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ:

    দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের প্রবেশদ্বার শিলিগুড়ি করিডোর তথা ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের নিরাপত্তায় এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো। শিলিগুড়ির জুমাগাছ সীমান্ত চৌকিতে (BO...

    DI Desk
    DI DeskEditorial
    July 20, 2026
     রাজ্যের সীমানা অঞ্চলগুলি  BSF সীমান্ত সুরক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ:

    রাজ্যের সীমানা অঞ্চলগুলি BSF সীমান্ত সুরক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ:

    দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের প্রবেশদ্বার শিলিগুড়ি করিডোর তথা ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের নিরাপত্তায় এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো। শিলিগুড়ির জুমাগাছ সীমান্ত চৌকিতে (BOP) সফরকালে সীমা সুরক্ষা বল বা BSF সীমান্ত সুরক্ষা এর আধুনিকীকরণে একাধিক পরিকাঠামোগত প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শ্রী অমিত শাহ। এই কর্মসূচিতে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শ্রী শুভেন্দু অধিকারী।

    ইনফিলট্রেশন ওয়ার্নিং সিস্টেম (Infiltration Warning System) ও রেডিও-ভিত্তিক কাঁটাতার: বিএসএফ সীমান্ত সুরক্ষায় আধুনিক প্রযুক্তি

    এ রাজ্যে সদ্য সফরকালে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি একাধিক উন্নত নজরদারি ব্যবস্থার প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন। সীমান্তে অনুপ্রবেশ রুখতে যেসব নতুন প্রযুক্তি আনা হয়েছে, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য:

    • ইনফিলট্রেশন ওয়ার্নিং সিস্টেম (Infiltration Warning System): সীমান্তে অনুপ্রবেশের চেষ্টা হলেই তৎক্ষণাৎ স্বয়ংক্রিয় সংকেত দেওয়ার বিশেষ ব্যবস্থা।

  • রেডিও-ভিত্তিক কাঁটাতারের অনুপ্রবেশ শনাক্তকরণ ব্যবস্থা: কাঁটাতারে কোনো ধরনের ছেদ, স্পন্দন বা স্পর্শ হলে তা সঙ্গে সঙ্গে চিহ্নিত করার প্রযুক্তি।

  • গেট ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার: সীমান্তে মানুষের যাতায়াত ও গেটের সার্বিক নজরদারি আরও সুনির্দিষ্ট ও নিরাপদ করার ডিজিটাল মাধ্যম।

  • Advertisement

    Democratic Indians Premium

  • নতুন নকশার সীমান্ত বেড়া: পূর্বের প্রথাগত ব্যবস্থার চেয়ে এটি অনেক বেশি মজবুত, টেকসই ও অভেদ্য।

  • অমিত শাহ উত্তরবঙ্গ সীমান্তের ১৮ নম্বর ব্যাটালিয়নের বীর জওয়ানদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের সঙ্গে মতবিনিময় করে বিএসএফ সীমান্ত সুরক্ষার কার্যকারিতা পর্যালোচনা করেন।

    সীমান্তে অনুপ্রবেশ, মাদক পাচার ও অপরাধ রুখতে 'জিরো টলারেন্স' নীতি

    একসময় শিলিগুড়ি করিডোর বেআইনি অনুপ্রবেশকারীদের অবাধ যাতায়াতের পথ ছিল। তবে মোদী সরকারের নেতৃত্বে বর্তমানে এই অঞ্চলটি একটি সুরক্ষিত সীমান্তে পরিণত হচ্ছে। সীমান্ত এলাকায় অবৈধ অনুপ্রবেশ, মাদক পাচার এবং অর্থনৈতিক অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নিয়ে কাজ করছে কেন্দ্র।

    সীমান্তের নিরাপত্তা জোরদার করতে শুধুই ওয়াচ টাওয়ার বাড়ানো হয়নি, বরং উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে নিরাপত্তা বলয়কে আরও সুদৃঢ় করা হয়েছে।

    Advertisement

    Democratic Indians Premium

    সমন্বিত চতুষ্কোণীয় নিরাপত্তা গ্রিড ও সীমান্ত আধুনিকীকরণ

    ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তকে আরও সুরক্ষিত করতে একটি সমন্বিত চতুষ্কোণীয় নিরাপত্তা গ্রিড গড়ে তোলার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তে জাতীয় সুরক্ষার সঙ্গে যুক্ত দীর্ঘদিন আটকে থাকা পরিকাঠামোগত কাজগুলি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দ্রুত শেষ করার ঘোষণা দেওয়া হয়। নিরাপদ ও আধুনিক সীমান্তই যে শক্তিশালী ভারতের ভিত্তি, তা আবারও স্পষ্ট করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    SHARE STORY
    STORY 10 OF 10
    HOME

    যাত্রী সাথী ও ভারত ট্যাক্সি চুক্তি: গণপরিবহনে নতুন বিপ্লব শুরু রাজ্যে

    নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গের গণপরিবহন ব্যবস্থায় এক যুগান্তকারী অধ্যায়ের সূচনা হলো। রাজ্যের পরিবহন ও প্রযুক্তি পরিষেবাকে আরও আধুনিক করতে তথ্য প্রযুক্তি...

    DI Desk
    DI DeskEditorial
    July 20, 2026
    যাত্রী সাথী ও ভারত ট্যাক্সি চুক্তি: গণপরিবহনে নতুন বিপ্লব শুরু রাজ্যে

    যাত্রী সাথী ও ভারত ট্যাক্সি চুক্তি: গণপরিবহনে নতুন বিপ্লব শুরু রাজ্যে

    নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গের গণপরিবহন ব্যবস্থায় এক যুগান্তকারী অধ্যায়ের সূচনা হলো। রাজ্যের পরিবহন ও প্রযুক্তি পরিষেবাকে আরও আধুনিক করতে তথ্য প্রযুক্তি ও ইলেকট্রনিক্স বিভাগ (DoIT&E) এবং ‘সহকার ট্যাক্সি কো-অপারেটিভ লিমিটেড’ (ভারত ট্যাক্সি)-এর মধ্যে একটি ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে। গত ১৮ জুলাই ২০২৬ তারিখে স্বাক্ষরিত এই চুক্তির মাধ্যমে জনপ্রিয় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম যাত্রী সাথী এবং কেন্দ্রীয় সমবায় মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ ভারত ট্যাক্সির মেলবন্ধন ঘটল।

    শুভেন্দু অধিকারীর প্রতিক্রিয়া ও সামাজিক মাধ্যমে বার্তা

    এই চুক্তি স্বাক্ষরের পরই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী তাঁর অফিসিয়াল ফেসবুক পোস্টে এই উদ্যোগের প্রশংসা ও বিস্তারিত তথ্য শেয়ার করেন। তিনি জানান, প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে রাজ্যবাসীকে আরও দক্ষ ও নির্ভরযোগ্য পরিবহন পরিষেবা দিতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তাঁর পোস্ট অনুযায়ী, যাত্রী সাথী ও ভারত ট্যাক্সির ফিচারগুলি একত্রিত হওয়ায় সাধারণ যাত্রী ও চালক—উভয় পক্ষই ব্যাপকভাবে উপকৃত হবেন।

    যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্য ও পরিষেবার বিস্তার

    নতুন এই যৌথ উদ্যোগের ফলে রাজ্যের পরিবহন ব্যবস্থায় বেশ কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে:

    • পরিষেবার সংযোগ (Interoperability): এখন থেকে যাত্রী সাথী অ্যাপের চালক ও যাত্রীরা ভারত ট্যাক্সির সুবিধা পাবেন এবং একইভাবে ভারত ট্যাক্সি প্ল্যাটফর্মেও যাত্রী সাথীর রাইড মিলবে।

  • নতুন যানবাহনের সংযোজন: কেবল ক্যাব নয়, খুব দ্রুত রাজ্যজুড়ে এই প্ল্যাটফর্মে বাইক ট্যাক্সি এবং অটো-রিকশা পরিষেবা যুক্ত করা হচ্ছে।

  • Advertisement

    Democratic Indians Premium

  • চালকদের কল্যাণমূলক সুবিধা: পরিবহন চালকদের জন্য বিশেষ কো-অপারেটিভ মেম্বারশিপ এবং কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা ও কল্যাণমূলক প্রকল্পের সুবিধা নিশ্চিত করা হবে।

  • চুক্তিপত্রের গুরুত্বপূর্ণ শর্তাবলী

    হাতে পাওয়া দলিল অনুযায়ী, ২০২৬ থেকে ২০২৮ সাল পর্যন্ত প্রথম পর্যায়ে যাত্রী সাথী অ্যাপের মূল নিয়ন্ত্রণ থাকবে রাজ্য সরকারের (DoIT&E) হাতেই। টেকনোলজি পার্টনার 'মুভিং টেক ইনোভেশনস' (MTI)-এর চুক্তি বজায় রেখেই ভারত ট্যাক্সির কো-ব্র্যান্ডিং কার্যকর করা হবে। ২০২৮ সালের পর উভয় পক্ষের সম্মতিতে এটি নতুন চুক্তি ও রাজস্ব ভাগাভাগির মডেলে প্রবেশ করবে।

    সব মিলিয়ে, ডিজিটাল প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারে যাত্রী সাথী ও ভারত ট্যাক্সির এই যৌথ পথচলা রাজ্যের দৈনিক নিত্যযাত্রীদের যেমন স্বস্তি দেবে, তেমনই হাজার হাজার চালকের আর্থিক ও সামাজিক সুরক্ষাকে নিশ্চিত করবে।

    SHARE STORY

    You're All Caught Up

    You've reached the end of today's Quick10 briefing. Check back later for fresh updates throughout the day.

    Back to Home