● JUST IN

QUICK10 FEED

Your Top 10 Daily Briefing • Continuously Updated

STORY 1 OF 10
HOME

রাজ্যের সীমানা অঞ্চলগুলি BSF সীমান্ত সুরক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ:

দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের প্রবেশদ্বার শিলিগুড়ি করিডোর তথা ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের নিরাপত্তায় এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো। শিলিগুড়ির জুমাগাছ সীমান্ত চৌকিতে (BO...

DI Desk
DI DeskEditorial
July 20, 2026
 রাজ্যের সীমানা অঞ্চলগুলি  BSF সীমান্ত সুরক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ:

রাজ্যের সীমানা অঞ্চলগুলি BSF সীমান্ত সুরক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ:

দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের প্রবেশদ্বার শিলিগুড়ি করিডোর তথা ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের নিরাপত্তায় এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো। শিলিগুড়ির জুমাগাছ সীমান্ত চৌকিতে (BOP) সফরকালে সীমা সুরক্ষা বল বা BSF সীমান্ত সুরক্ষা এর আধুনিকীকরণে একাধিক পরিকাঠামোগত প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শ্রী অমিত শাহ। এই কর্মসূচিতে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শ্রী শুভেন্দু অধিকারী।

ইনফিলট্রেশন ওয়ার্নিং সিস্টেম (Infiltration Warning System) ও রেডিও-ভিত্তিক কাঁটাতার: বিএসএফ সীমান্ত সুরক্ষায় আধুনিক প্রযুক্তি

এ রাজ্যে সদ্য সফরকালে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি একাধিক উন্নত নজরদারি ব্যবস্থার প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন। সীমান্তে অনুপ্রবেশ রুখতে যেসব নতুন প্রযুক্তি আনা হয়েছে, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য:

  • ইনফিলট্রেশন ওয়ার্নিং সিস্টেম (Infiltration Warning System): সীমান্তে অনুপ্রবেশের চেষ্টা হলেই তৎক্ষণাৎ স্বয়ংক্রিয় সংকেত দেওয়ার বিশেষ ব্যবস্থা।

  • রেডিও-ভিত্তিক কাঁটাতারের অনুপ্রবেশ শনাক্তকরণ ব্যবস্থা: কাঁটাতারে কোনো ধরনের ছেদ, স্পন্দন বা স্পর্শ হলে তা সঙ্গে সঙ্গে চিহ্নিত করার প্রযুক্তি।

  • গেট ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার: সীমান্তে মানুষের যাতায়াত ও গেটের সার্বিক নজরদারি আরও সুনির্দিষ্ট ও নিরাপদ করার ডিজিটাল মাধ্যম।

  • Advertisement

    Democratic Indians Premium

  • নতুন নকশার সীমান্ত বেড়া: পূর্বের প্রথাগত ব্যবস্থার চেয়ে এটি অনেক বেশি মজবুত, টেকসই ও অভেদ্য।

  • অমিত শাহ উত্তরবঙ্গ সীমান্তের ১৮ নম্বর ব্যাটালিয়নের বীর জওয়ানদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের সঙ্গে মতবিনিময় করে বিএসএফ সীমান্ত সুরক্ষার কার্যকারিতা পর্যালোচনা করেন।

    সীমান্তে অনুপ্রবেশ, মাদক পাচার ও অপরাধ রুখতে 'জিরো টলারেন্স' নীতি

    একসময় শিলিগুড়ি করিডোর বেআইনি অনুপ্রবেশকারীদের অবাধ যাতায়াতের পথ ছিল। তবে মোদী সরকারের নেতৃত্বে বর্তমানে এই অঞ্চলটি একটি সুরক্ষিত সীমান্তে পরিণত হচ্ছে। সীমান্ত এলাকায় অবৈধ অনুপ্রবেশ, মাদক পাচার এবং অর্থনৈতিক অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নিয়ে কাজ করছে কেন্দ্র।

    সীমান্তের নিরাপত্তা জোরদার করতে শুধুই ওয়াচ টাওয়ার বাড়ানো হয়নি, বরং উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে নিরাপত্তা বলয়কে আরও সুদৃঢ় করা হয়েছে।

    Advertisement

    Democratic Indians Premium

    সমন্বিত চতুষ্কোণীয় নিরাপত্তা গ্রিড ও সীমান্ত আধুনিকীকরণ

    ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তকে আরও সুরক্ষিত করতে একটি সমন্বিত চতুষ্কোণীয় নিরাপত্তা গ্রিড গড়ে তোলার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তে জাতীয় সুরক্ষার সঙ্গে যুক্ত দীর্ঘদিন আটকে থাকা পরিকাঠামোগত কাজগুলি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দ্রুত শেষ করার ঘোষণা দেওয়া হয়। নিরাপদ ও আধুনিক সীমান্তই যে শক্তিশালী ভারতের ভিত্তি, তা আবারও স্পষ্ট করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    SHARE STORY
    STORY 2 OF 10
    HOME

    যাত্রী সাথী ও ভারত ট্যাক্সি চুক্তি: গণপরিবহনে নতুন বিপ্লব শুরু রাজ্যে

    নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গের গণপরিবহন ব্যবস্থায় এক যুগান্তকারী অধ্যায়ের সূচনা হলো। রাজ্যের পরিবহন ও প্রযুক্তি পরিষেবাকে আরও আধুনিক করতে তথ্য প্রযুক্তি...

    DI Desk
    DI DeskEditorial
    July 20, 2026
    যাত্রী সাথী ও ভারত ট্যাক্সি চুক্তি: গণপরিবহনে নতুন বিপ্লব শুরু রাজ্যে

    যাত্রী সাথী ও ভারত ট্যাক্সি চুক্তি: গণপরিবহনে নতুন বিপ্লব শুরু রাজ্যে

    নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গের গণপরিবহন ব্যবস্থায় এক যুগান্তকারী অধ্যায়ের সূচনা হলো। রাজ্যের পরিবহন ও প্রযুক্তি পরিষেবাকে আরও আধুনিক করতে তথ্য প্রযুক্তি ও ইলেকট্রনিক্স বিভাগ (DoIT&E) এবং ‘সহকার ট্যাক্সি কো-অপারেটিভ লিমিটেড’ (ভারত ট্যাক্সি)-এর মধ্যে একটি ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে। গত ১৮ জুলাই ২০২৬ তারিখে স্বাক্ষরিত এই চুক্তির মাধ্যমে জনপ্রিয় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম যাত্রী সাথী এবং কেন্দ্রীয় সমবায় মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ ভারত ট্যাক্সির মেলবন্ধন ঘটল।

    শুভেন্দু অধিকারীর প্রতিক্রিয়া ও সামাজিক মাধ্যমে বার্তা

    এই চুক্তি স্বাক্ষরের পরই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী তাঁর অফিসিয়াল ফেসবুক পোস্টে এই উদ্যোগের প্রশংসা ও বিস্তারিত তথ্য শেয়ার করেন। তিনি জানান, প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে রাজ্যবাসীকে আরও দক্ষ ও নির্ভরযোগ্য পরিবহন পরিষেবা দিতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তাঁর পোস্ট অনুযায়ী, যাত্রী সাথী ও ভারত ট্যাক্সির ফিচারগুলি একত্রিত হওয়ায় সাধারণ যাত্রী ও চালক—উভয় পক্ষই ব্যাপকভাবে উপকৃত হবেন।

    যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্য ও পরিষেবার বিস্তার

    নতুন এই যৌথ উদ্যোগের ফলে রাজ্যের পরিবহন ব্যবস্থায় বেশ কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে:

    • পরিষেবার সংযোগ (Interoperability): এখন থেকে যাত্রী সাথী অ্যাপের চালক ও যাত্রীরা ভারত ট্যাক্সির সুবিধা পাবেন এবং একইভাবে ভারত ট্যাক্সি প্ল্যাটফর্মেও যাত্রী সাথীর রাইড মিলবে।

  • নতুন যানবাহনের সংযোজন: কেবল ক্যাব নয়, খুব দ্রুত রাজ্যজুড়ে এই প্ল্যাটফর্মে বাইক ট্যাক্সি এবং অটো-রিকশা পরিষেবা যুক্ত করা হচ্ছে।

  • Advertisement

    Democratic Indians Premium

  • চালকদের কল্যাণমূলক সুবিধা: পরিবহন চালকদের জন্য বিশেষ কো-অপারেটিভ মেম্বারশিপ এবং কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা ও কল্যাণমূলক প্রকল্পের সুবিধা নিশ্চিত করা হবে।

  • চুক্তিপত্রের গুরুত্বপূর্ণ শর্তাবলী

    হাতে পাওয়া দলিল অনুযায়ী, ২০২৬ থেকে ২০২৮ সাল পর্যন্ত প্রথম পর্যায়ে যাত্রী সাথী অ্যাপের মূল নিয়ন্ত্রণ থাকবে রাজ্য সরকারের (DoIT&E) হাতেই। টেকনোলজি পার্টনার 'মুভিং টেক ইনোভেশনস' (MTI)-এর চুক্তি বজায় রেখেই ভারত ট্যাক্সির কো-ব্র্যান্ডিং কার্যকর করা হবে। ২০২৮ সালের পর উভয় পক্ষের সম্মতিতে এটি নতুন চুক্তি ও রাজস্ব ভাগাভাগির মডেলে প্রবেশ করবে।

    সব মিলিয়ে, ডিজিটাল প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারে যাত্রী সাথী ও ভারত ট্যাক্সির এই যৌথ পথচলা রাজ্যের দৈনিক নিত্যযাত্রীদের যেমন স্বস্তি দেবে, তেমনই হাজার হাজার চালকের আর্থিক ও সামাজিক সুরক্ষাকে নিশ্চিত করবে।

    SHARE STORY
    STORY 3 OF 10
    HOME

    পঃবঙ্গে শিল্পে নয়া দিশাঃ MSME র আলোচনায় আমূল ও বাজাজ আগমনের জোরালো ইঙ্গিত বিশিষ্ট নেত্রী ড. শতরুপার

    বিশেষ প্রতিনিধি, কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গের শিল্প ও বাণিজ্যিক মহলে এক দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক পরিবর্তনের হাওয়া বইতে শুরু করেছে। চলতি বছরের গত ২৭শে জুন, Dr. Shatorupa at M...

    DI Desk
    DI DeskEditorial
    July 3, 2026
    পঃবঙ্গে শিল্পে নয়া দিশাঃ MSME র আলোচনায় আমূল ও বাজাজ আগমনের জোরালো ইঙ্গিত বিশিষ্ট নেত্রী ড. শতরুপার

    পঃবঙ্গে শিল্পে নয়া দিশাঃ MSME র আলোচনায় আমূল ও বাজাজ আগমনের জোরালো ইঙ্গিত বিশিষ্ট নেত্রী ড. শতরুপার

    বিশেষ প্রতিনিধি, কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গের শিল্প ও বাণিজ্যিক মহলে এক দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক পরিবর্তনের হাওয়া বইতে শুরু করেছে। চলতি বছরের গত ২৭শে জুন, Dr. Shatorupa at MCCI র এর উদ্যোগে আয়োজিত ‘MCCI MSME Conference 2026’ এ এসে এমন বার্তাই দিলেন । এই গুরুত্বপূর্ণ শিল্প মঞ্চে দাঁড়িয়ে পশ্চিমবঙ্গের শিল্পায়নের এক অত্যন্ত উজ্জ্বল ও আশাব্যঞ্জক রূপরেখা তুলে ধরলেন কলকাতার বিশিষ্ট সমাজকর্মী, জনসেবক তথা প্রাজ্ঞ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ড. শতরুপা (Dr. Shatorupa)। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, দেশের দুই অগ্রণী শিল্প গোষ্ঠী ‘বাজাজ’ (Bajaj) এবং ডেয়ারি খাতের জায়ান্ট ‘আমূল’ (Amul) পশ্চিমবঙ্গে বড়সড় বিনিয়োগ নিয়ে আসার জোরালো প্রস্তুতি নিচ্ছে।

    অ্যাঙ্কর ইন্ডাস্ট্রির হাত ধরে এমএসএমই-র বিকাশ: ড. শতরুপার দূরদর্শিতা কনফারেন্সে নিজের গভীর সামাজিক ও অর্থনৈতিক দূরদর্শিতা প্রকাশ করে ড. শতরুপা উল্লেখ করেন যে, বাজাজ গোষ্ঠী পশ্চিমবঙ্গে অত্যন্ত বড় আকারে (in a big way) প্রবেশ করতে চলেছে। যদিও বিষয়টি চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে, তবুও এই পদক্ষেপ যে রাজ্যের শিল্পচিত্রে এক যুগান্তকারী পরিবর্তন আনবে, তা নিশ্চিত। এর পাশাপাশি তিনি জানান, রাজ্যে আমূল-এর পক্ষ থেকেও বিনিয়োগের বিষয়ে অত্যন্ত সুন্দর ও ইতিবাচক বার্তা দেওয়া হয়েছে।

    ড. শতরুপার মূল অভিমত ছিল, শুধু বাইরের বড় শিল্প আসার ওপর নির্ভর না করে পশ্চিমবঙ্গকে নিজের ‘অ্যাঙ্কর ইন্ডাস্ট্রি’ (Anchor Industry) বা মূল ভিত্তি-শিল্প গড়ে তোলার দিকে নজর দিতে হবে। অতীতে রাজ্যে চিত্তরঞ্জন লোকোমোটিভ বা জুট শিল্পের মতো বড় বড় ভিত্তি-শিল্প ছিল, যা অজস্র সহায়ক ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে (Ancillary Industries & MSMEs) বাঁচিয়ে রাখত। ড. শতরুপার মতে, বাজাজ বা আমূলের মতো অ্যাঙ্কর ইন্ডাস্ট্রিগুলো রাজ্যে এলে, তাদের কেন্দ্র করে কয়েক হাজার নতুন MSME বা মাঝারি ও ক্ষুদ্র শিল্প পুনরুজ্জীবিত হবে, যা রাজ্যের যুবসমাজের জন্য বিপুল কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবে।

    বাজেট বিশ্লেষণ ও গঠনমূলক রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি

    মঞ্চে বক্তব্য রাখার সময় ড. শতরুপার গভীর অর্থনৈতিক প্রজ্ঞা ও গঠনমূলক রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিচয় স্পষ্ট হয় । তাঁর দেখানো দিশায় আগামী বাংলার বানিজ্যিক পরিকাঠামোর বদল হবে তা হলফ করে বলাই যায়। যখন তিনি কেন্দ্রীয় বাজেট (নির্মলা সীতারামনের বাজেট) এবং সাম্প্রতিক রাজ্য বাজেট—উভয়েরই তুলনামূলক ইতিবাচক দিকগুলি নিখুঁতভাবে ব্যাখ্যা করেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং শুভেন্দু অধিকারীর মতো নেতৃত্বের শিল্পভাবনার উদাহরণ টেনে তিনি স্পষ্ট করেন যে, রাজনৈতিক মতাদর্শের ঊর্ধ্বে উঠে রাজ্যের অর্থনৈতিক ও শিল্প কাঠামোর উন্নয়ন এবং ক্ষুদ্র শিল্পকে চাঙ্গা করাই এখন প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত।

    SHARE STORY
    STORY 4 OF 10
    HOME

    IGNOU - তে prof. G.Ram Reddy স্মারক আলোচনায় উঠে এল শিক্ষক শিক্ষা উদ্যোগ ও ভারতীয় শিক্ষার পরিবর্তনের কথা

    শিক্ষক শিক্ষার রূপান্তর: মূল অধিবেশনের মূলসুর IGNOU - তে অনুষ্ঠিত prof. G.Ram Reddy স্মারক আলোচনা । ৩১তম স্মারক আলোচনায় বক্তৃতার মূল প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল 'ইগনু-র...

    DI Desk
    DI DeskEditorial
    July 2, 2026
    IGNOU - তে prof. G.Ram Reddy  স্মারক আলোচনায় উঠে এল শিক্ষক শিক্ষা উদ্যোগ ও ভারতীয় শিক্ষার পরিবর্তনের কথা

    IGNOU - তে prof. G.Ram Reddy স্মারক আলোচনায় উঠে এল শিক্ষক শিক্ষা উদ্যোগ ও ভারতীয় শিক্ষার পরিবর্তনের কথা

    শিক্ষক শিক্ষার রূপান্তর: মূল অধিবেশনের মূলসুর

    IGNOU - তে অনুষ্ঠিত prof. G.Ram Reddy স্মারক আলোচনা । ৩১তম স্মারক আলোচনায় বক্তৃতার মূল প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল 'ইগনু-র শিক্ষক শিক্ষা উদ্যোগ এবং ভারতীয় শিক্ষা পরিমণ্ডলে রূপান্তরমূলক পরিবর্তন' (Teacher Education Initiatives of IGNOU and Transformative Changes in the Indian Education Scenario)। মূল অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বক্তব্য রাখেন ভারত সরকারের শিক্ষামন্ত্রকের অন্তর্গত জাতীয় শিক্ষক শিক্ষা পরিষদ (NCTE)-এর চেয়ারপার্সন প্রো. পঙ্কজ অরোরা। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘ ২৭ বছরেরও বেশি সময় ধরে অধ্যাপনার অভিজ্ঞতা সম্পন্ন এবং ৯টি আকর গ্রন্থের প্রণেতা prof. অরোরা তাঁর বক্তব্যে ভারতের বর্তমান শিক্ষক শিক্ষণ কাঠামোর গুণগত পরিবর্তনের ওপর বিশেষ জোর দেন।

    ২ জুলাই, ২০২৬ বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় নয়া দিল্লির ইগনু-র বাবা সাহেব আম্বেদকর কনভেনশন সেন্টারে এই মর্যাদাপূর্ণ অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এই অনুষ্ঠানে শিক্ষাবিদ, নীতিনির্ধারক এবং ইগনু পরিবারের সদস্যরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।

    অনুষ্ঠানের মূল স্মারক বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মালয়েশিয়ার ওয়াসান উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপ-উপাচার্য এবং দিশা গ্লোবাল ট্রাস্টের চেয়ারপার্সন প্রো. মোহনদাস বি. মেনন। উচ্চশিক্ষা ও দূরশিক্ষণ ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক স্তরে দীর্ঘ চার দশকেরও বেশি সময়ের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন এই বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব ইগনু-র বিভিন্ন সময়োপযোগী উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। সমগ্র অনুষ্ঠানটিতে সভাপতিত্ব করেন ইগনু-র বর্তমান উপাচার্য প্রো. উমা কাঞ্জিলাল।

    নয়া দিল্লির পাশাপাশি কলকাতাতেও সম্প্রচারিত হল অনুষ্ঠানটি

    নয়া দিল্লির মূল অনুষ্ঠানের পাশাপাশি সারা দেশের আঞ্চলিক কেন্দ্রগুলিতেও এই স্মারক বক্তৃতা সরাসরি সম্প্রচারের বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতায়, ইগনু কলকাতা আঞ্চলিক কেন্দ্রেও আঞ্চলিক অধিকর্তা (Regional Director) ডঃ সুজাতা দত্ত হাজারিকার দক্ষ নেতৃত্বে এই গৌরবময় অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচারিত (Live Webcast) হয়। কলকাতা কেন্দ্রের অনুষদ সদস্য, শিক্ষাকর্মী এবং বহুসংখ্যক গবেষক ও শিক্ষার্থী অত্যন্ত উৎসাহের সঙ্গে এই লাইভ স্ট্রিমিংয়ে যুক্ত হয়ে দিল্লির মূল অধিবেশন ও আলোচনা চক্রের বৌদ্ধিক অংশীদার হন। অনুষ্ঠান শেষে ডঃ সুজাতা দত্ত হাজারিকা জানান, প্রো. জি. রাম রেড্ডির উন্মুক্ত ও দূরশিক্ষণ ব্যবস্থার যে কালজয়ী স্বপ্ন, তা বাংলার প্রতিটি প্রান্তে ছড়িয়ে দিতে এবং বর্তমান জাতীয় শিক্ষানীতির আলোকে শিক্ষক শিক্ষার নতুন উদ্যোগগুলিকে সফল করতে কলকাতা আঞ্চলিক কেন্দ্র সর্বদা অগ্রণী ভূমিকা পালন করে চলেছে।

    Advertisement

    Democratic Indians Premium

    উন্মুক্ত শিক্ষার জনক prof. G.Ram Reddy র কালজয়ী অবদান

    prof. G.Ram Reddy ছিলেন ভারতের প্রথম উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় অন্ধ্রপ্রদেশ ওপেন ইউনিভার্সিটি এবং পরবর্তীকালে ইগনু (IGNOU)-এর দূরদর্শী রূপকার। হায়দ্রাবাদের ওসমানিয়া বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিশ্বখ্যাত লন্ডন স্কুল অফ ইকোনমিক্সের এই প্রাক্তনী উচ্চশিক্ষাকে দেশের প্রতিটি প্রান্তে পৌঁছে দেওয়ার জন্য আজীবন কাজ করে গেছেন। তিনি ইউজিসি (UGC) এবং আইসিএসএসআর (ICSSR)-এর মতো দেশের শীর্ষস্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান হিসেবেও অসামান্য দায়িত্ব পালন করেছেন। সহকর্মীদের কাছে অত্যন্ত প্রিয় ও 'অজাতশত্রু' হিসেবে পরিচিত এই মহান শিক্ষাবিদের চিরন্তন আদর্শ ও ওডিএল (ODL) আন্দোলনে তাঁর অবদানকে স্মরণ করতেই প্রতি বছর ইগনু প্রাঙ্গণে এই মর্যাদাপূর্ণ স্মারক বক্তৃতার আয়োজন করা হয়ে থাকে

    উচ্চপর্যায়ের আলোচনা চক্র ও শিক্ষাবিদদের ভাবনা

    সকালের মূল পর্বের পর, দুপুর ২:৩০ মিনিট থেকে শুরু হয় একটি বিশেষ উচ্চপর্যায়ের আলোচনা চক্র (ভোজনোপরান্ত অধিবেশন)। এই বিশেষ অধিবেশনটির সভাপতিত্ব করেন নয়াদিল্লির রাষ্ট্রীয় শিক্ষাগত যোজনা ও প্রশাসন সংস্থান (NIEPA)-এর উপাচার্য প্রো. শশীকলা ওয়াঞ্জারি। আলোচনা চক্রে দেশের শিক্ষাব্যবস্থার ভবিষ্যৎ রূপরেখা নিয়ে অত্যন্ত মূল্যবান ও গঠনমূলক বক্তব্য পেশ করেন তিন জন বিশিষ্ট চিন্তাবিদ:

    Advertisement

    Democratic Indians Premium

    ১. আইআইটি বোম্বে-র বিশিষ্ট অতিথি অধ্যাপক এবং NIEPA-এর প্রাক্তন উপাচার্য প্রো. এন. ভি. ভার্গিস।

    ২. গুজরাটের এম.এস.ইউ (MSU), ভোদোদরার শিক্ষামূলক প্রশাসন বিভাগের প্রধান প্রো. কারণম পুষ্পনাধম।

    ৩. হরিয়ানা রাজ্য উচ্চ শিক্ষা পরিষদের চেয়ারপার্সন প্রো. কৈলাশ চন্দ্র শর্মা।

    ইগনু-র উপাচার্য প্রো. উমা কাঞ্জিলাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্ত অনুষদ সদস্য, শিক্ষাকর্মী, প্রশাসনিক আধিকারিক এবং বিভিন্ন আঞ্চলিক কেন্দ্রের কর্মীদের এই গৌরবময় শিক্ষাবৃত্তে সক্রিয় অংশগ্রহণের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। উপস্থিত শিক্ষাবিদদের মতে, আজকের এই স্মারক বক্তৃতা ও আলোচনা থেকে উঠে আসা নির্যাস আগামী দিনে ভারতের জাতীয় শিক্ষানীতি বাস্তবায়ন এবং উন্মুক্ত শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকীকরণে এক নতুন মাইলফলক হয়ে থাকবে।

    Advertisement

    Democratic Indians Premium

    SHARE STORY
    STORY 5 OF 10
    INDIA

    নীল দিগন্তের প্রহরী: সেশেলস সফরে মোদীর হাত ধরে কীভাবে ভারত মহাসাগরে সবুজ নেতৃত্ব ও সামরিক শক্তির মেলবন্ধন ঘটল

    বিশেষ প্রতিবেদন, ডেমোক্রেটিক ইন্ডিয়ান্স: সেশেলস সফরে মোদী আর এতেই ভারত মহাসাগরের বুকে এক নতুন ভূ-রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা। ভারত ও সেশেলসের কূটনৈতিক সম্পর্কের সুব...

    DI Desk
    DI DeskEditorial
    June 28, 2026
    নীল দিগন্তের প্রহরী: সেশেলস সফরে মোদীর হাত ধরে কীভাবে ভারত মহাসাগরে সবুজ নেতৃত্ব ও সামরিক শক্তির মেলবন্ধন ঘটল

    নীল দিগন্তের প্রহরী: সেশেলস সফরে মোদীর হাত ধরে কীভাবে ভারত মহাসাগরে সবুজ নেতৃত্ব ও সামরিক শক্তির মেলবন্ধন ঘটল

    বিশেষ প্রতিবেদন, ডেমোক্রেটিক ইন্ডিয়ান্স: সেশেলস সফরে মোদী আর এতেই ভারত মহাসাগরের বুকে এক নতুন ভূ-রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা। ভারত ও সেশেলসের কূটনৈতিক সম্পর্কের সুবর্ণ জয়ন্তী বা ৫০ বছর উদযাপনের মাহেন্দ্রক্ষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সেশেলস সফর গ্লোবাল সাউথ তথা দক্ষিণ গোলার্ধের দেশগুলোর প্রতি নয়াদিল্লির বিদেশনীতির এক অভূতপূর্ব সাফল্যকে চিহ্নিত করল। এই ঐতিহাসিক সফরে ভারত নিজেকে কেবল একটি উদীয়মান সামরিক শক্তি হিসেবেই নয়, বরং একাধারে পরিবেশের বিশ্বস্ত রক্ষক (Eco-Warrior) এবং মহাসাগরীয় প্রতিবেশীদের জন্য একটি শক্তিশালী অভেদ্য সুরক্ষাকবচ হিসেবে সফলভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। একজন অভিজ্ঞ আন্তর্জাতিক বিষয়ক সাংবাদিকের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দেখলে স্পষ্ট বোঝা যায়, এই সফর আসলে ভারতের সফট পাওয়ার এবং হার্ড পাওয়ারের এক নিখুঁত ও কৌশলগত ভারসাম্য।

    সবুজ কূটনীতি: ‘গার্ডিয়ান অফ দ্য ব্লু হরাইজন’ এবং ভারতের পরিবেশগত নেতৃত্ব

    সেশেলস সফরে মোদী যে আন্তর্জাতিক স্তরে ভারতের পরিবেশ কূটনীতিকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন, তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ দেশটির সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা। সেশেলসের ইতিহাসে এই প্রথমবার কোনো বিশ্বনেতাকে 'গার্ডিয়ান অফ দ্য ব্লু হরাইজন' (Guardian of the Blue Horizon) নামক বিশেষ রাষ্ট্রপতি পুরস্কারে ভূষিত করা হলো। দেশটির বর্তমান রাষ্ট্রপতি ডঃ প্যাট্রিক হারমিনি এই অনন্য সম্মান সরাসরি ভারতের প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দিলেন।

    এই পুরস্কার কেবল নরেন্দ্র মোদীর ব্যক্তিগত আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতার প্রমাণ নয়, বরং এটি বিশ্ব জলবায়ু কূটনীতির কেন্দ্রে ভারতের নীতিগত অবস্থানের সবচেয়ে বড় স্বীকৃতি। বিগত কয়েক বছরে ভারতের উদ্যোগে গড়ে ওঠা ‘আন্তর্জাতিক সৌর জোট’ (International Solar Alliance - ISA) এবং পরিবেশবান্ধব জীবনযাত্রার বৈশ্বিক আন্দোলন 'মিশন লাইফ' (Mission LiFE)-এর মতো দূরদর্শী প্রকল্পগুলোর প্রভাব আজ আফ্রিকার এই ছোট দ্বীপ রাষ্ট্রগুলোতে স্পষ্ট। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের চরম ঝুঁকিতে থাকা সেশেলসের মতো ছোট দ্বীপ রাষ্ট্রগুলোর কাছে ভারত আজ এক পরম বিশ্বস্ত ও নির্ভরযোগ্য অভিভাবক। প্রধানমন্ত্রী এই সম্মানকে নিজের না বলে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াই করা বিশ্বের প্রতিটি প্রান্তের মানুষের প্রতি উৎসর্গ করে ভারতের চিরন্তন "বসুধৈব কুটুম্বকম" দর্শনকেই পুনরায় তুলে ধরেছেন।

    সুরক্ষা তত্ত্ব: ভিশন মহাসাগর এবং 'PS LESPWAR'-এর ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্ব

    diplomacy বা কূটনীতি কেবল কথার ফুলঝুরিতে সীমাবদ্ধ থাকে না, তার জন্য প্রয়োজন বাস্তব ও দৃশ্যমান সহযোগিতা। সেশেলস সফরে মোদী সেই সুরক্ষামূলক প্রতিশ্রুতির বাস্তব রূপায়ণ ঘটালেন সেশেলস কোস্ট গার্ডের হাতে সম্পূর্ণ সম্পূর্ণ ভারতে তৈরি অত্যাধুনিক ফাস্ট পেট্রোল ভেসেল 'পিএস লেসপার' (PS LESPWAR) হস্তান্তরের মাধ্যমে। গোয়া শিপইয়ার্ডে নির্মিত এই যুদ্ধজাহাজটি ছাড়াও ভারত মহাসাগরের সুরক্ষায় ৬টি আধুনিক অ্যাম্বুলেন্স, ১০টি ইউটিলিটি ভেহিকেল এবং ৫টি লেজার রেডিয়াল বোট সেশেলসকে উপহার দেওয়া হয়েছে।

    ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট থেকে এই পদক্ষেপের গুরুত্ব অপরিসীম। ভারত মহাসাগর আজ আর কোনো আঞ্চলিক জলপথ নয়, এটি বিশ্ব বাণিজ্যের লাইফলাইন এবং এখানে আধিপত্য বিস্তারের এক অলিখিত প্রতিযোগিতা চলছে। এমতাবস্থায় ভারতের নিরাপত্তা ডকট্রিন বা নীতি হলো 'ভিশন মহাসাগর' (Vision MAHASAGAR - Mutual and Holistic Advancement for Security and Growth Across Regions)। এই দর্শনের মূল কথাই হলো প্রতিবেশীদের সাথে নিয়ে যৌথ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। সমুদ্রপথের জলদস্যুতা, অবৈধ মৎস্যশিকার এবং চোরাচালান রুখতে সেশেলসের মতো কৌশলগত অবস্থানে থাকা দেশকে সামরিকভাবে স্বাবলম্বী করা নয়াদিল্লির অত্যন্ত সুপরিকল্পিত চাল। প্রধানমন্ত্রী মোদীর সেই অমোঘ বার্তা—"আমাদের প্রতিরক্ষা এবং নিরাপত্তা একে অপরের পরিপূরক"—প্রমাণ করে যে ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ভারতই হচ্ছে প্রথম এবং প্রধানতম নিরাপত্তা প্রদানকারী দেশ (First Security Responder)।

    Advertisement

    Democratic Indians Premium

    গণতান্ত্রিক সেতু: দুই দেশের সংসদীয় ও আদর্শগত মেলবন্ধন

    এই মহতী সফরের আরেকটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এবং আবেগঘন মুহূর্ত ছিল সেশেলসের ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে (সংসদ) প্রধানমন্ত্রী মোদীর ভাষণ। সেশেলসের সংসদের ইতিহাসে তিনি হলেন প্রথম কোনো ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী যিনি এই গৌরব অর্জন করলেন।

    আমাদের চ্যানেল ‘DemocraticIndians’-এর মূল ভাবাদর্শের সাথে এই ঘটনাটি সবচেয়ে গভীরভাবে মিলে যায়। ভারত এবং সেশেলস কেবল সমুদ্রের জলরাশি দিয়ে যুক্ত নয়, দুই দেশের আত্মার বন্ধন গড়ে উঠেছেShared Democratic Values বা অভিন্ন গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ওপর ভিত্তি করে। সেশেলসের আইনসভার অলিন্দে দাঁড়িয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য দুই দেশের বহুমাত্রিক সম্পর্কের এক অনন্য ও ঐতিহাসিক মেলবন্ধনকে তুলে ধরে। এটি বিশ্বকে এই বার্তাই দেয় যে, ভারতের প্রভাব বিস্তারের নীতি কোনো ঔপনিবেশিক আধিপত্যবাদ নয়, বরং তা দুটি স্বাধীন, সার্বভৌম ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের পারস্পরিক সম্মান এবং সহাবস্থানের ওপর প্রতিষ্ঠিত।

    ডেমোক্রেটিক ইন্ডিয়ান্স-এর শেষ কথা

    উপসংহারে বলা যায়, সেশেলস সফরে মোদী ভারতের বিদেশনীতিতে এক নতুন বেঞ্চমার্ক বা মানদণ্ড তৈরি করে দিলেন। একদিকে 'গার্ডিয়ান অফ দ্য ব্লু হরাইজন' হিসেবে সবুজ বা পরিবেশবান্ধব কূটনীতির বিকাশ, আর অন্যদিকে 'PS LESPWAR' হস্তান্তরের মাধ্যমে ভারত মহাসাগরের বুকে নিশ্ছিদ্র সুরক্ষাবলয় তৈরি করা—সব মিলিয়ে নয়াদিল্লি বুঝিয়ে দিল যে তারা কেবল ভারতের স্বার্থ নয়, বরং সমগ্র ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের শান্তি, সমৃদ্ধি ও স্থায়িত্বের প্রকৃত প্রহরী। ৫-জি যুগের এই নতুন বিশ্বব্যবস্থায় ভারতের এই দ্বিমুখী কৌশলগত কূটনীতি আগামীর ভূ-রাজনীতিতে ভারতকে এক অপ্রতিরোধ্য পরাশক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে সাহায্য করবে।

    SHARE STORY
    STORY 6 OF 10
    HOME

    PM Surya Ghar Muft Bijli Yojana: ভারতে ছাদ সৌর বিদ্যুতের অভাবনীয় জোয়ার, টার্গেট ২৬

    ভারতজুড়ে সবুজ শক্তির এক অভূতপূর্ব বিপ্লব শুরু হয়েছে । ছাদ সৌর বিদ্যুৎ প্যানেল বসানোর লক্ষ্যমাত্রাও স্থির হয়েছে। কেন্দ্রের ‘প্রধানমন্ত্রী সূর্য ঘর: মুফ্ত বিজলি ...

    DI Desk
    DI DeskEditorial
    June 26, 2026
    PM Surya Ghar Muft Bijli Yojana: ভারতে ছাদ সৌর বিদ্যুতের অভাবনীয় জোয়ার, টার্গেট ২৬

    PM Surya Ghar Muft Bijli Yojana: ভারতে ছাদ সৌর বিদ্যুতের অভাবনীয় জোয়ার, টার্গেট ২৬

    ভারতজুড়ে সবুজ শক্তির এক অভূতপূর্ব বিপ্লব শুরু হয়েছে । ছাদ সৌর বিদ্যুৎ প্যানেল বসানোর লক্ষ্যমাত্রাও স্থির হয়েছে। কেন্দ্রের ‘প্রধানমন্ত্রী সূর্য ঘর: মুফ্ত বিজলি যোজনা’ মাত্র দুই বছরে দেশের জ্বালানি মানচিত্র বদলে দিচ্ছে ইতিমধ্যেই । সম্প্রতি নতুন ও নবীকরণযোগ্য শক্তি মন্ত্রকের এক অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শ্রী প্রহ্লাদ জোশী ঘোষণা করেছেন, আগামী ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে দেশের ৭৫ লক্ষ পরিবারে রুফটপ সোলার বা ছাদ সৌর বিদ্যুৎ প্যানেল বসানোর লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে । তবে ইতিমধ্যে ৪০ লক্ষেরও বেশি পরিবার এই প্রকল্পের সুবিধা ভোগ করছেন

    ছাদ সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্প কী এবং এর অগ্রগতি

    প্রধানমন্ত্রী সূর্য ঘর মুফ্ত বিজলি - এই যোজনা মূলত চালু করা হয়েছিল দেশের মধ্যবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোকে লক্ষ্য করে। বিশেষ করে যাদের বিদ্যুৎ ব্যবহার ১ কিলোওয়াট (1 kW) থেকে ৩ কিলোওয়াটের (3 kW) মধ্যে, তারা এই প্রকল্পের মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি উপকৃত হচ্ছেন । সরকারি তথ্য বলছে , ইতিমধ্যেই সারা দেশ জুড়ে ৬৫ লক্ষেরও বেশি আবেদন জমা পড়েছে । এর মধ্যে এই চলতি বছরের মে মাসটি ছিল সবচেয়ে সফল, যেখানে মাত্র এক মাসে রেকর্ড ৩.১৬ লক্ষ ইনস্টলেশন হয়েছে এবং শুধু একদিনেই ১৫,০০০ নতুন পরিবার যুক্ত হয়েছে ।

    ইউটিলিটি-লিঙ্কড অ্যাগ্রিগেশন (ULA) মডেলের ভূমিকা

    মূলতঃ অনগ্রসর ও প্রান্তিক পরিবারগুলোর কাছে দ্রুত সৌর বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়ার উদ্দ্যেশ্যেই কেন্দ্র ইউটিলিটি-লিঙ্কড অ্যাগ্রিগেশন (ULA) মডেল চালু করেছে । এই মডেলে রাজ্য স্তরের বিদ্যুৎ বন্টন সংস্থা বা ইউটিলিটিগুলো সরাসরি যুক্ত থেকে কাজে আরো গতি এনেছে । ইতিমধ্যেই বিভিন্ন রাজ্যে এই মডেলেই প্রায় ৩০ লক্ষ ছাদ সৌর বিদ্যুৎ প্যানেল স্থাপনের পরিকল্পনা করা হয়েছে । এর ফলে গ্রাহকদের হয়রানি কমবে এবং দ্রুত আবেদন মঞ্জুর হবে ।

    গ্রাহকদের সরাসরি সাশ্রয় ও ভর্তুকি

    এই প্রকল্পের বড় সুবিধা আর্থিক সাশ্রয়। দেশের প্রায় ১৭ লক্ষেরও বেশি পরিবার এখন ‘শূন্য বিদ্যুৎ বিল’ বা জিরো ইলেকট্রিসিটি বিলের সুবিধা পাচ্ছে । সরকার এ পর্যন্ত ২২,৭৫০ কোটি টাকারও বেশি ভর্তুকি সরাসরি উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠিয়েছে । শুধুমাত্র মে ২০২৬ মাসেই ২,৭৪৩ কোটি টাকা ভর্তুকি হিসেবে দেওয়া হয়েছে । আগে যেখানে প্রতি মাসে মাত্র ৭,০০০ ইনস্টলেশন হতো, আজ তা বেড়ে মাসে ৩ লক্ষ ছাড়িয়ে গেছে ।

    কর্মসংস্থান বৃদ্ধি ও ২০৪৭ সালের লক্ষ্য

    দেশের এই সৌর বিপ্লব বিদ্যুৎ সাশ্রয়ই নয়। বরং বিশাল কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করছে। কাউন্সিল অন এনার্জি, এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ওয়াটার (CEEW)-এর সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, এই সেক্টরে রক্ষণাবেক্ষণ এবং পরিচালনার জন্য প্রতি বছর ৩.৩ লক্ষেরও বেশি কর্মসংস্থান তৈরি হতে পারে । কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর আশা, ২০৪৭ সালের মধ্যে দেশের প্রতিটি ঘরে ছাদ সৌর বিদ্যুৎ পৌঁছে যাবে এবং এটি একটি গণআন্দোলনে রূপ নেবে । ২০৩০ সালের মধ্যে ভারতের ৫০০ গিগাওয়াট (500 GW) অ-জীবাশ্ম জ্বালানি উৎপাদনের যে লক্ষ্য রয়েছে, এই প্রকল্প তা পূরণে প্রধান ভূমিকা রাখবে ।

    SHARE STORY
    STORY 7 OF 10
    WORLD

    West Bengal Tourism Budget 2026: বিশ্বমঞ্চে বাংলার পর্যটন, মায়াপুর ও হেরিটেজে মেগা ইনভেস্টমেন্টের রূপরেখা

    বিশেষ প্রতিবেদন, কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গের অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক পুনরুজ্জীবনে পর্যটন শিল্পকে এক অভূতপূর্ব উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার মাস্টারপ্ল্যান তৈরি করল রাজ্য সরকার । ...

    DI Desk
    DI DeskEditorial
    June 23, 2026
    West Bengal Tourism Budget 2026: বিশ্বমঞ্চে বাংলার পর্যটন, মায়াপুর ও হেরিটেজে মেগা ইনভেস্টমেন্টের রূপরেখা

    West Bengal Tourism Budget 2026: বিশ্বমঞ্চে বাংলার পর্যটন, মায়াপুর ও হেরিটেজে মেগা ইনভেস্টমেন্টের রূপরেখা

    বিশেষ প্রতিবেদন, কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গের অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক পুনরুজ্জীবনে পর্যটন শিল্পকে এক অভূতপূর্ব উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার মাস্টারপ্ল্যান তৈরি করল রাজ্য সরকার । ২০২২ সালের ২২শে জুন পর্যটন দপ্তরের মাননীয় মন্ত্রীর পক্ষ থেকে প্রকাশিত অফিশিয়াল প্রেস নোটে আগামী ২০২৬-২৭ আর্থিক বছরের জন্য এক দূরদর্শী ও বৈপ্লবিক বাজেটের রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছে । "ব্র্যান্ড বেঙ্গল"-কে বিশ্বমঞ্চে নতুনভাবে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে এবং আগামী ৩ বছরের মধ্যে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যটকদের আগমন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করতে ৫টি কৌশলগত অগ্রাধিকার বা ‘স্ট্র্যাটেজিক প্রায়োরিটি’ নির্ধারণ করা হয়েছে । এবারের West Bengal Tourism Budget 2026 কেবল একটি আর্থিক খতিয়ান নয়, বরং এটি বিশ্বমানের অভিজ্ঞতা-ভিত্তিক এবং দায়িত্বশীল পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে বাংলাকে গড়ে তোলার এক দৃঢ় অঙ্গীকার ।

    ৫টি মূল স্তম্ভ এবং বিশ্বমঞ্চে দুর্গোৎসবের বিশ্বায়নরাজ্য সরকারের নতুন পর্যটন নীতি মূলত পাঁচটি স্তম্ভের ওপর দাঁড়িয়ে রয়েছে: ব্র্যান্ড অব বেঙ্গলের পুনর্নির্মাণ, সম্ভাবনা থেকে পারফরম্যান্স, সবার জন্য পর্যটন, প্রাচ্যের প্রবেশদ্বার এবং প্রগতির জন্য অংশীদারিত্ব । এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে "দুর্গাপূজা - বিশ্বজুড়ে বাঙালির আবেগ" স্লোগানকে সামনে রেখে বিশ্বব্যাপী একটি বড়সড় ব্র্যান্ডিং ক্যাম্পেইন চালু করা হচ্ছে । থিম প্যান্ডেলের জাঁকজমক, ঐতিহ্যবাহী আচার-অনুষ্ঠান এবং লোকশিল্পকে আন্তর্জাতিক স্তরে প্রচার করতে বিশেষ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ও গাইড তৈরি করা হবে, যাতে অনাবাসী বাঙালি এবং বিশ্ব পর্যটকরা সরাসরি যুক্ত হতে পারেন ।

    হেরিটেজ সংস্কার ও ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের স্মৃতিতে বড় বরাদ্দরাজ্যের ঐতিহ্য ও আধ্যাত্মিক কেন্দ্রগুলোর আমূল সংস্কারের জন্য হেরিটেজ কমিশনকে নতুনভাবে পুনর্গঠন করা হচ্ছে । এই তালিকায় কালীঘাট মন্দির, তারাপীঠ, জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ি, মদনমোহন মন্দির এবং তারকেশ্বরের মতো প্রধান প্রধান ধর্মীয় স্থানগুলোর জন্য ব্যাপক পুনরুদ্ধার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে । সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও ভাষাগত সংরক্ষণের অংশ হিসেবে, ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ১২৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে জীরাতে ১২৫ ফুটের এক বিশাল মূর্তি, তাঁর পৈতৃক ভিটের সংস্কার, পার্ক, লাইব্রেরি ও মেমোরিয়াল তৈরির জন্য ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে । পাশাপাশি রাজবংশী ও কুড়মালি ভাষা, একাডেমি এবং লোকশিল্পের প্রসারে আরও ৫০ কোটি টাকা করে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে । কলকাতা শহরকে একটি 'লিভিং হেরিটেজ' এবং রিভারফ্রন্ট ট্যুরিজম ডেস্টিনেশন হিসেবে গড়ে তুলে ইউনেস্কো (UNESCO) স্বীকৃতির জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে ।

    আধ্যাত্মিক পর্যটনে মেগা প্রজেক্ট: মায়াপুরে ১,০০০ কোটি টাকাWest Bengal Tourism Budget 2026-এর সবচেয়ে বড় চমকগুলোর একটি হলো আধ্যাত্মিক পর্যটনের বিকাশ। শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর স্মৃতিবিজড়িত মায়াপুরকে বিশ্বমানের আধ্যাত্মিক পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে আগামী তিন বছরে ১,০০০ কোটি টাকার বিশাল বিনিয়োগের প্রস্তাব করা হয়েছে । পাশাপাশি রাজ্যের প্রধান শক্তিপীঠগুলোকে (যেমন- ভ্রামরী দেবী, নন্দিকেশ্বরী, বক্রেশ্বর, ফুল্লরা, কঙ্কণীতলা এবং তারাপীঠ) সংযুক্ত করে একটি 'বেঙ্গল শক্তিপীঠ সার্কিট' তৈরি করা হবে । তীর্থযাত্রীদের সাশ্রয়ী আবাসনের জন্য পুরী এবং দেওঘরে পিপিপি (PPP) মডেলে আবাসন সুবিধা গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে রাজ্য সরকারের ।

    পাহাড় থেকে সমুদ্র: ডুয়ার্স, সুন্দরবন ও দিঘার রূপবদলউত্তরবঙ্গের পর্যটনের রানি দার্জিলিংকে গ্লোবাল মাউন্টেন, ওয়েলনেস এবং অ্যাডভেঞ্চার ট্যুরিজমের কেন্দ্র হিসেবে ব্র্যান্ডিং করা হবে । গ্ল্যাম্পিং পরিকাঠামো, টাইগার হিলে সূর্যোদয় দেখার আধুনিক সুবিধা, রোপওয়ে সংযোগ এবং চা-বাগানের বাংলোগুলোর হেরিটেজ ম্যাপিং করা হবে । পাহাড়ে যানজট কমাতে এবং যোগাযোগ বাড়াতে NH-10 এবং হিল কার্ট রোডের চওড়াকরণসহ মাল্টি-লেভেল পার্কিং তৈরি করা হবে । ডুয়ার্স ও কোচবিহারকে প্রিমিয়ার ওয়াইল্ডলাইফ ডেস্টিনেশন এবং চা পর্যটনের (Tea Tourism) সেরা ঠিকানা হিসেবে গড়ে তোলা হবে । সুন্দরবনের পরিবেশবান্ধব পর্যটনের জন্য একটি সমন্বিত 'ট্যুরিজম মাস্টার প্ল্যান' তৈরি করা হচ্ছে, যেখানে ইকো-রিসোর্ট, ক্রিক ট্যুরিজম, ভাসমান গ্ল্যাম্পিং এবং ই-ভেসেল বা বৈদ্যুতিক জলযানের ওপর জোর দেওয়া হবে । জঙ্গলমহলের পর্যটন বাড়াতে ঝাড়গ্রাম চিড়িয়াখানায় ১৬০ একর জমিতে একটি টাইগার সাফারি তৈরি করা হবে, যার জন্য ২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে । দক্ষিণবঙ্গে দিঘা-মন্দারমণি মেরিন ড্রাইভকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা হবে । অন্যদিকে গঙ্গাসাগর মেলাকে আন্তর্জাতিক স্তরে উন্নীত করতে ভারত সরকারের সাথে যৌথ অংশীদারিত্বে কাজ করা হবে । জগদ্ধাত্রী পূজা, রাস মেলা এবং জলপেশ মেলাকে জাতীয় স্তরের উৎসব হিসেবে প্রমোট করা হবে ।

    Advertisement

    Democratic Indians Premium

    আধুনিক অবকাঠামো, রোপওয়ে এবং আন্তর্জাতিক সংযোগপরিবেশবান্ধব ও জ্বালানি সাশ্রয়ী পর্যটন পরিকাঠামো হিসেবে রাজ্যজুড়ে রোপওয়ে নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের (Techno-feasibility study) জন্য ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে । এছাড়া রাজ্যকে একটি শীর্ষস্থানীয় মেডিকেল ট্যুরিজম হাব হিসেবে গড়ে তোলা এবং পর্যটকদের সুরক্ষায় বড় পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে জরুরি চিকিৎসা সহায়তা ব্যবস্থা চালুর ঘোষণা করা হয়েছে । আন্তর্জাতিক স্তরে 'প্রাচ্যের প্রবেশদ্বার' হিসেবে পশ্চিমবঙ্গকে তুলে ধরতে সরাসরি আন্তর্জাতিক বিমান পরিষেবা জোরদার করার পাশাপাশি নেপাল, ভুটান এবং বাংলাদেশের সাথে আন্তঃসীমান্ত (Cross-border) পর্যটন ও সড়ক যোগাযোগ আরও সহজ ও মসৃণ করা হবে । সামগ্রিকভাবে, ২০২৬-২৭ সালের এই পর্যটন বাজেট বাংলার অর্থনীতিতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বিশ্বমঞ্চে রাজ্যের গৌরবময় সংস্কৃতিকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে সক্ষম হবে ।

    SHARE STORY
    STORY 8 OF 10
    INDIA

    West Bengal Budget 2026: নতুন বাজেটে বিজেপি সরকারের বড় চমক, অর্থনৈতিক সংস্কারের নতুন রূপরেখা

    পশ্চিমবঙ্গের প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন দিগন্তের সূচনা করে পেশ হলো এই বছরের West Bengal Budget 2026 রাজ্য বাজেট। দীর্ঘদিনের পাহাড়ের মত জমে থাকা ঋণভার ...

    DI Desk
    DI DeskEditorial
    June 23, 2026
    West Bengal Budget 2026: নতুন বাজেটে বিজেপি সরকারের বড় চমক, অর্থনৈতিক সংস্কারের নতুন রূপরেখা

    West Bengal Budget 2026: নতুন বাজেটে বিজেপি সরকারের বড় চমক, অর্থনৈতিক সংস্কারের নতুন রূপরেখা

    পশ্চিমবঙ্গের প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন দিগন্তের সূচনা করে পেশ হলো এই বছরের West Bengal Budget 2026 রাজ্য বাজেট। দীর্ঘদিনের পাহাড়ের মত জমে থাকা ঋণভার এবং পূর্বতন তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের রেখে যাওয়া বিতর্কিত আর্থিক নীতিকে পেছনে ফেলে, রাজ্যের সর্বাঙ্গীন উন্নয়নের লক্ষ্য নিয়ে এই বাজেট পেশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং অর্থমন্ত্রী ডঃ স্বপন দাশগুপ্ত। এই ঐতিহাসিক বাজেটকে স্বাগত জানিয়ে ভারতীয় জনতা পার্টির (BJP) পক্ষ থেকে একটি যৌথ সাংবাদিক সম্মেলন করা হয়। যেখানে রাজ্য বিজেপির প্রধান মুখপাত্র শ্রী দেবজিৎ সরকার এবং প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ তথা অর্থনৈতিক সেলের সহ-আহ্বায়ক শ্রী ধনপৎরাম আগরওয়াল এই নতুন আর্থিক রূপরেখাকে ‘সোনার বাংলা’ গড়ার এক অভূতপূর্ব নীল-নকশা বললেন তাঁরা।

    West Bengal Budget 2026: নারী শক্তি ও কর্মসংস্থানে বড় ঘোষণা

    সাংবাদিক সম্মেলনে শ্রী দেবজিৎ সরকার এই সর্বজনীন বাজেটের একাধিক জনমুখী প্রকল্পের কথা বিশদভাবে তুলে ধরেন। সামাজিক সুরক্ষাকে অগ্রাধিকার দিয়ে এবারের West Bengal Budget 2026-এ নারীদের জন্য সরকারি চাকরিতে ৩৩% সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়াও অন্নপূর্ণা যোজনার আওতায় ২৫ থেকে ৬০ বছর বয়সী মহিলারা প্রতি মাসে ৩,০০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা পাবেন, যা নারী ক্ষমতায়নে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ।

    কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রেও বড়সড় ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা শূন্যপদ পূরণে ১ লক্ষ নতুন সরকারি চাকরির বিজ্ঞপ্তি জারির কথা বলা হয়েছে। একই সাথে সিভিক ভলান্টিয়ার, সিভিক পুলিশ এবং গ্রিন পুলিশ কর্মীদের মাসিক বেতন ২,০০০ টাকা বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং পরিকাঠামোয় আমূল পরিবর্তন

    Advertisement

    Democratic Indians Premium

    শিক্ষাক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে ওয়াটার পিউরিফায়ার এবং স্কুল-কলেজে স্যানিটারি ভেন্ডিং মেশিন স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। উত্তরবঙ্গের দীর্ঘদিনের দাবি মেনে সেখানে এইস (AIIMS) এবং আইআইএম (IIM) প্রতিষ্ঠার জন্য প্রাথমিক ধাপে ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এছাড়া ঝাড়গ্রামে একটি আদিবাসী বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হবে।

    রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের ক্ষোভ প্রশমিত করতে আগামী অক্টোবর মাস থেকে বকেয়া ডিএ (DA) মিটিয়ে মোট ৩৮% মহার্ঘ ভাতা কার্যকর করার ঐতিহাসিক ঘোষণা করা হয়েছে এই বাজেটে। পাশাপাশি, নৈতিকতা বজায় রাখতে ধর্মীয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১ কিলোমিটারের মধ্যে (কলকাতায় ৫০০ মিটার) কোনো মদের দোকানের লাইসেন্স দেওয়া হবে না বলে জানানো হয়েছে। ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের স্মৃতি রক্ষার্থে ১২৫ ফুটের মূর্তি নির্মাণ এবং ৬ জুলাই তাঁর জন্মদিনে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

    West Bengal Budget 2026-এর রাজকোষীয় সংস্কার ও অর্থনৈতিক দৃঢ়তা

    অর্থনীতিবিদ শ্রী ধনপৎরাম আগরওয়াল বাজেটের গাণিতিক ও রাজকোষীয় সাফল্য তুলে ধরে জানান যে, বিগত সরকারের লক্ষ্যহীন ও ঋণ-নির্ভর অর্থনীতিকে বদলে এই বাজেট রাজ্যকে এক মজবুত ভিতের ওপর দাঁড় করিয়েছে।

    Advertisement

    Democratic Indians Premium

    রাজস্ব ঘাটতি (Revenue Deficit): গত বছরের ২.০৭% থেকে কমিয়ে বর্তমান বাজেটে মাত্র ১.০২% এ নামিয়ে আনা হয়েছে।

    আর্থিক ঘাটতি (Fiscal Deficit): ৩.৪% থেকে সফলভাবে কমিয়ে ২.৯১% এ আনা সম্ভব হয়েছে।

    ঋণ ও জিএসডিপি অনুপাত (Debt-to-GSDP): রাজ্যের ঋণের বোঝা ৩৮.২৯% থেকে ৩৭.৯৮%-এ নামিয়ে আনার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।

    বিকেন্দ্রীকরণ: প্রতিটি জেলায় কুটির ও ক্ষুদ্র শিল্পের বিকাশে 'ওয়ান ডিস্ট্রিক্ট ওয়ান প্রোডাক্ট' (ODOP) নীতি কার্যকর করা হচ্ছে।

    Advertisement

    Democratic Indians Premium

    রাজনৈতিক অবক্ষয় ও সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর

    সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিজেপি নেতৃত্ব বিদায়ী তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের কড়া সমালোচনা করেন। তাঁরা দাবি করেন, 'তোলাবাজি এবং ২৫-৭-৫ কাটমানি সংস্কৃতির' কারণে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে তৃণমূল এখন রাজনৈতিকভাবে প্রাসঙ্গিকতা হারাচ্ছে। দলের অভ্যন্তরীণ কলহ এবং কর্মীদের দলত্যাগ তারই প্রমাণ। প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ইডি/সিবিআই জেরা এবং টলিউড ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে তথাকথিত সিন্ডিকেট রাজ নিয়ে বিজেপি নেতারা স্পষ্ট জানান, আইন তার নিজের পথেই চলবে এবং দুর্নীতিগ্রস্তদের আদালতের মুখোমুখি হতেই হবে।

    কেন্দ্র ও রাজ্যে একই আদর্শের সরকার থাকার সুফল এখন বাংলার মানুষ সরাসরি পাবেন। কৃষি, শিল্প, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং নারী নিরাপত্তার ওপর ভর করে আগামী ৫ বছরের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ দেশের শীর্ষ ৩টি উন্নত রাজ্যের তালিকায় জায়গা করে নেবে—এই দৃঢ় প্রত্যয়ই ফুটে উঠেছে এবারের বাজেটে।

    SHARE STORY
    STORY 9 OF 10
    INDIA

    NCPI রাজনৈতিক দল এর গুরুত্ব বাড়ছে কেন? BJP র কি লাভ? তৈরি হচ্ছে না তো ভবিষ্যতের ফ্রাঙ্কেনস্টাইন?

    ভারতের জাতীয় রাজনীতিতে আলোচনার কেন্দ্রে NCPI রাজনৈতিক দল। এখন আর কেবল দ্বিমুখী রাজনৈতিক লড়াইয়ে সীমাবদ্ধ নেই ভারতীয় রাজনৈতিক সমীকরণ । জোট রাজনীতির এই যুগে বড় দলগ...

    DI Desk
    DI DeskEditorial
    June 16, 2026
     NCPI রাজনৈতিক দল এর গুরুত্ব বাড়ছে কেন? BJP র কি লাভ? তৈরি হচ্ছে না তো  ভবিষ্যতের ফ্রাঙ্কেনস্টাইন?

    NCPI রাজনৈতিক দল এর গুরুত্ব বাড়ছে কেন? BJP র কি লাভ? তৈরি হচ্ছে না তো ভবিষ্যতের ফ্রাঙ্কেনস্টাইন?

    ভারতের জাতীয় রাজনীতিতে আলোচনার কেন্দ্রে NCPI রাজনৈতিক দল। এখন আর কেবল দ্বিমুখী রাজনৈতিক লড়াইয়ে সীমাবদ্ধ নেই ভারতীয় রাজনৈতিক সমীকরণ । জোট রাজনীতির এই যুগে বড় দলগুলির ভাগ্য নির্ধারণে ছোট বা আঞ্চলিক দলগুলি কিং-মেকারের ভূমিকা পালন করছে। সম্প্রতি ত্রিপুরার এক নেতার হাত ধরে আলোচনায় আসা ‘ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন পার্টি অফ ইন্ডিয়া’ (NCPI) এবং এর বর্তমান রাজনৈতিক গুরুত্ব বৃদ্ধি তারই এক অন্যতম বড় উদাহরণ।

    রাষ্ট্রপতি নির্বাচন এবং বিল পাসের সমীকরণ

    আগামী বছরের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন এবং সংসদে গুরুত্বপূর্ণ কিছু সংবিধান সংশোধনী বিল (যেমন- ‘এক দেশ এক ভোট’ এবং মহিলা সংরক্ষণ বিল) পাস করানোর ক্ষেত্রে শাসক দল বিজেপির জন্য সংখ্যার খেলা অত্যন্ত জটিল হয়ে দাঁড়িয়েছে। লোকসভা ও রাজ্যসভায় দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা (প্রায় ৩৬২ জন সংসদ সদস্যের সমর্থন) নিশ্চিত করতে এখন প্রতিটি ছোট দলের ভোট অত্যন্ত মূল্যবান। আর ঠিক এই জায়গাতেই NCPI-এর মতো দলের গুরুত্ব নাটকীয়ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

    বিক্ষুব্ধ ও আঞ্চলিক নেতাদের নতুন আশ্রয়স্থল

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বড় বড় জাতীয় বা আঞ্চলিক দলগুলির (যেমন তৃণমূল বা শিবসেনা) ভেতরের অভ্যন্তরীণ কোন্দল এবং শীর্ষ নেতৃত্বের প্রতি অসন্তোষের কারণে অনেক বিক্ষুব্ধ সংসদ সদস্য ও বিধায়ক সরাসরি অন্য বড় দলে যোগ না দিয়ে, NCPI-এর মতো দলগুলিকে একটি ‘সুরক্ষিত বিকল্প’ বা আলাদা ব্লক হিসেবে বেছে নিচ্ছেন। এতে দলত্যাগ বিরোধী আইনের জটিলতা এড়ানো যেমন সহজ হয়, তেমনই নিজেদের রাজনৈতিক দর কষাকষির ক্ষমতাও বজায় রাখা যায়। শিবসেনার শিণ্ডে গোষ্ঠী বা এনসিপির শরদ পাওয়ার গোষ্ঠীর মতো ভাঙনের পর এখন NCPI-এর নামও এই তালিকায় উঠে আসছে।

    Advertisement

    Democratic Indians Premium

    জাতীয় রাজনীতিতে ‘কিং-মেকার’

    শাসক শিবিরের অভ্যন্তরীণ সূত্র অনুযায়ী, সংসদে প্রয়োজনীয় সংখ্যার অভাব মেটাতে ব্যাক-চ্যানেল ডিপ্লোমেসি বা ‘অপারেশন লোটাস’ এর মতো রণকৌশলে এই ছোট দলগুলিই প্রধান মাধ্যম হয়ে উঠছে। পশ্চিমবঙ্গ বা তামিলনাড়ুর মতো রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের পর পরিবর্তিত রাজনৈতিক সমীকরণে যেখানে ডিএমকে বা বিক্ষুব্ধ তৃণমূলের সমর্থন নিয়ে টানাপোড়েন চলছে, সেখানে NCPI-এর মতো একটি ছোট দল কেন্দ্রীয় স্তরে সমর্থনের হাত বাড়িয়ে দিয়ে নিজেদের রাজনৈতিক গুরুত্ব কয়েক গুণ বাড়িয়ে নিয়েছে।

    বিজেপি নিজেই নিজের প্রতিযোগী তৈরি করছে না তো ?

    সাময়িক স্বস্তি: সংসদে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকলে বা কঠিন কোনো বিল (যেমন ‘এক দেশ এক ভোট’ বা সংবিধান সংশোধনী বিল) পাস করাতে গেলে ছোট ছোট দলের জোট বা সমর্থন বিজেপির জন্য অত্যন্ত জরুরি। NCPI-এর মতো একটি নামহীন দলকে রাতারাতি ২০ জন সাংসদের শক্তিতে বলীয়ান করে বিজেপি তার তাৎক্ষণিক লক্ষ্য পূরণ করে নিল।

    Advertisement

    Democratic Indians Premium

    ভবিষ্যতের ফ্রাঙ্কেনস্টাইন? রাজনীতিতে কোনো শক্তিই চিরকাল এক জায়গায় স্থির থাকে না। আজ যে দলটির কোনো অস্তিত্বই ছিল না, কাল তারা ২০ জন সাংসদ নিয়ে সংসদের পঞ্চম বৃহত্তম দল হয়ে উঠছে! নীতিগতভাবে যদি এই আঞ্চলিক দলগুলো পরবর্তীতে নিজেদের মাটি শক্ত করতে পারে, তবে তারা বিজেপির এজেন্ডার সামনেই দর কষাকষির (Bargaining power) বড় দেওয়াল তুলে দাঁড় করাতে পারে, ঠিক যেমনটা নীতীশ কুমার বা চন্দ্রবাবু নাইডুর ক্ষেত্রে মাঝেমধ্যেই দেখা যায়।

    পরিশেষে বলা যায়, আদর্শগত লড়াইয়ের চেয়েও এখনকার রাজনীতিতে সংখ্যার গুরুত্ব অনেক বেশি। আর এই সংখ্যার খেলা যতদিন বজায় থাকবে, ততদিন ভারতীয় সংসদীয় গণতন্ত্রে NCPI-এর মতো তুলনামূলকভাবে কম পরিচিত রাজনৈতিক দলগুলির গুরুত্ব ও প্রাসঙ্গিকতা কেবল বাড়তেই থাকবে।

    SHARE STORY
    STORY 10 OF 10
    INDIA

    মোদী সরকারের ১২ বছর ও রাজ্যে বিজেপি সরকারের ১ মাস: এক নতুন দিগন্ত

    নিউটাউনের বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে সম্প্রতি একটি উচ্চপর্যায়ের সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়ে গেল। মোদী সরকারের ১২ বছর পূর্তি এবং রাজ্যে নতুন বিজেপি সরকারের এ...

    DI Desk
    DI DeskEditorial
    June 12, 2026
    মোদী সরকারের ১২ বছর ও রাজ্যে বিজেপি সরকারের ১ মাস: এক নতুন দিগন্ত

    মোদী সরকারের ১২ বছর ও রাজ্যে বিজেপি সরকারের ১ মাস: এক নতুন দিগন্ত

    নিউটাউনের বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে সম্প্রতি একটি উচ্চপর্যায়ের সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়ে গেল। মোদী সরকারের ১২ বছর পূর্তি এবং রাজ্যে নতুন বিজেপি সরকারের এক মাস সম্পূর্ণ হওয়া উপলক্ষে এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। উক্ত সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শ্রী শুভেন্দু অধিকারী। অনুষ্ঠানের শুরুতেই মুখ্যমন্ত্রী কেন্দ্রীয় সরকারের বিগত ১২ বছরের সুশাসন ও গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় নিয়ে একটি প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন। তিনি জানান, জনকল্যাণ ও দেশসেবায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন এবং এই বছরই তাঁর জনপ্রতিনিধি (মুখ্যমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রী মিলিয়ে) হিসেবে ২৫ বছর পূর্ণ হতে চলেছে।

    অন্ত্যোদয় ও গরিব কল্যাণ: ১২ বছরের মূল আধার

    মুখ্যমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, বিগত ১২ বছরের মূল লক্ষ্যই ছিল গরিব কল্যাণ, রাষ্ট্র সেবা এবং ভারতের ঐতিহ্যকে অক্ষুণ্ণ রেখে প্রগতির পথে এগিয়ে যাওয়া। ‘বিরাসত ভি, বিকাশ ভি’—এই মন্ত্রকে সামনে রেখে এনডিএ সরকার কাজ করে চলেছে।

    পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়ের একাত্ম মানববাদকে কার্যকর করতে সরকার যে সমস্ত ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নিয়েছে, তার খতিয়ান তুলে ধরেন তিনি:

    • স্বচ্ছ ভারত অভিযান: দেশব্যাপী ১৪ কোটি শৌচালয় নির্মাণ।

  • প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা: প্রায় ৫ কোটি পরিবারকে পাকা বাড়ি প্রদান, যার মালিকানা দেওয়া হয়েছে বাড়ির প্রবীণ মহিলাদের।

  • Advertisement

    Democratic Indians Premium

  • প্রধানমন্ত্রী অন্ন সুরক্ষা যোজনার: ৮২ কোটি মানুষকে প্রতি মাসে বিনামূল্যে রেশন প্রদান।

  • জল জীবন মিশন ও পিএম কিষাণ: ঘরে ঘরে পরিশ্রুত পানীয় জল ও কৃষকদের আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ।

  • পরিকাঠামো ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব জোয়ার

  • মোদী সরকারের ১২ বছর এর অন্যতম বড় সাফল্য দৃশ্যমান হয়েছে দেশের পরিকাঠামোগত রূপান্তরে। ২০১৪ সালে যেখানে জাতীয় সড়ক ছিল ৯১,২৮৭ কিলোমিটার, আজ তা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ১.৪৬ লাখ কিলোমিটারে। দৈনিক রাস্তা নির্মাণের গতি ১১.৬ কিমি থেকে বেড়ে হয়েছে ৩৪ কিমি।

    Advertisement

    Democratic Indians Premium

    যোগাযোগ ও উৎপাদন ব্যবস্থার অন্যান্য উল্লেখযোগ্য সাফল্যগুলি হলো:

    • রেলওয়ের আধুনিকীকরণ: ৯৯.৪%-এর বেশি ব্রডগেজ লাইনের বিদ্যুতায়ন এবং ১৬৪টিরও বেশি বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের চলাচল।

  • উড়ান যোজনা: দেশের বিমানবন্দরের সংখ্যা ৭৪ থেকে বেড়ে ১৬৪ পার করেছে, যার ফলে সাধারণ মানুষও বিমানে চড়ার সুযোগ পাচ্ছেন।

  • মেক ইন ইন্ডিয়া ও পিএলআই স্কিম: ইলেকট্রনিক্স উৎপাদন ২০১৪ সালের ১.৯ লাখ কোটি থেকে বেড়ে ১১.৩ লাখ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। ভারত আজ বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মোবাইল প্রস্তুতকারক দেশ।

  • Advertisement

    Democratic Indians Premium

  • সাংস্কৃতিক পুনর্জাগরণ ও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকারের লক্ষ্য

  • উন্নয়নের পাশাপাশি ভারতের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে পুনরুদ্ধার করা মোদী সরকারের অন্যতম বড় কৃতিত্ব। ৫০০ বছরের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণ, কাশী বিশ্বনাথ করিডোর এবং কেদারনাথ ধামের পুনর্নির্মাণ কোটি কোটি ভারতীয়র আস্থার সম্মান বাড়িয়েছে।

    পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট টেনে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্যে এখন "রাষ্ট্রবাদী ডবল ইঞ্জিন সরকার" তৈরি হয়েছে। মাত্র এক মাসের কিছু বেশি সময়ের মধ্যে রাজ্য সরকার কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলির সুবিধা বাংলার মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে সক্রিয় হয়েছে। দিল্লির সাথে সমন্বয় রেখে প্রতিটা দফতর রাজ্যের পুনর্নির্মাণে একাধিক নতুন চুক্তি ও পরিকল্পনা গ্রহণ করছে। ২০৪৭ সালের মধ্যে একটি শক্তিশালী, সমৃদ্ধ ও 'বিকশিত ভারত' গড়ে তোলাই এই সরকারের মূল সংকল্প।

    SHARE STORY

    You're All Caught Up

    You've reached the end of today's Quick10 briefing. Check back later for fresh updates throughout the day.

    Back to Home